Big Story

অধীররঞ্জন চৌধুরী এবার দেশের নেতা : বিরাট চমক বাংলাকে!

তবে প্রশ্নও রাহুল গান্ধী কি করবেন ? আর বোন প্রিয়াংকা, তার ভবিষ্যৎ , না অন্য রন কৌশল সাজাচ্ছে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস।

লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী হচ্ছেন, এ কথা এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেনি কংগ্রেস। কিন্তু অধীরের ঘনিষ্ঠ মহল তো বটেই, এআইসিসি-র নানা সূত্রও জানাচ্ছে যে, বহরমপুরের সাংসদকেই লোকসভায় নিজেদের দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড।

লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী হচ্ছেন, এ কথা এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেনি কংগ্রেস। কিন্তু অধীরের ঘনিষ্ঠ মহল তো বটেই, এআইসিসি-র নানা সূত্রও জানাচ্ছে যে, বহরমপুরের সাংসদকেই লোকসভায় নিজেদের দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড।

লোকসভা নির্বাচনে হারের পর থেকে সংসদে একক বৃহত্তম দল হিসেবে কংগ্রেসের নেতা কে হবেন তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। গত লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে হেরে যাওয়ায় দায়িত্ব নিতে বলা হয় রাহুল গান্ধীকে। কিন্তু দলের খারাপ ফলের পর থেকেই দলের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চেয়ে অনড় তিনি। প্রায় এক মাস ধরে বুঝিয়েও তাকে রাজি করা যায়নি।

কংগ্রেস সূত্রের খবর, লোকসভার সচিবালয়কে চিঠি দিয়ে সনিয়া গান্ধী ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, অধীর চৌধুরীই দলনেতা হয়েছেন। সেই চিঠি লোকসভার সচিবালয়ে পৌঁছেছে বলেই অধীর চৌধুরী বসতে পেরেছেন খড়্গের আসনটায়। তবে কংগ্রেসের তরফে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তখনও হয়নি। বিকেলেই আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রেস বিবৃতি দিয়ে অধীর চৌধুরীকে দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়ার কথা কংগ্রেস ঘোষণা করতে চলেছে বলে এআইসিসি সূত্রে জানা গিয়েছে।

অধীর বাবু ১৯৯৬ সালে বিধান সভার সদস্য হন বামফ্রন্টের শিশির সরকারকে হারিয়ে নবগ্রামের বিধায়ক হন। এর আগে ১৯৯১ ওই নবগ্রামের থেকেই বিধান সভা নির্বাচনে দাঁড়ান কিন্তু পরাজিত হন ১৪০১ ভোটে , তবে বলাবাহুল্য তখন বামফ্রন্ট বলতেগেলে মধ্যগগনে , এই ধরণের লড়াই যে অধীর বাবু দিতে পারবেন কেও ভাবতে পারেন নি। কিন্তু ১০৯৬ সালে আর ভুল হয়নি , জিতলেন নবগ্রাম থেকে। ২০৩২৯ ব্যবধানে নৃপেন চৌধুরী কে হারিয়ে বিধান সভায় এলেন।

অবধির বাবু ১৯৯৯ সালে বহরমপুর লোকসভা নির্বাচনী কেন্দ্র প্রার্থী হন ,বিপক্ষের দীর্ধ দিনের আরএসপির নেতা প্রমথেশ মুখার্জী ৯৫৩৯১ ভোটে হারিয়ে চলেগেলেন দিল্লি তে। অধীর বাবুর যাত্রা শুরু হল সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে। রাজীব গান্ধীর ভীষণ প্রিয় পাত্র ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।১৯৯৯সালে জেলা সভাপতি হন মুর্শিদাবাদে , বলা ভালো সেই সময় বাংলার বিরোধীদল নেতা ছিলেন অতীশ সিংহ। অধীর বাবু লোকসভায় বিভিন্ন্য গুরুত্ব পূর্ণ কমিটিতে ছিলেন।

২৮ সে অক্টোবর ২০১২ সালে প্রধান মন্ত্রী মনমোহন সিংহ তাকে মন্ত্রী করেন রেল প্রতি মন্ত্রী হিসাবে। বিশেষত রেলের নিরাপত্তা বিষয় টি দেখতেন অধীর বাবু। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ সালে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হন অধীর বাবু।

অধীর চৌধুরীর সঙ্গে দৌড়ে ছিলেন, কেরলের সাংসদ কে সুরেশ, কংগ্রেস মুখপাত্র মণীশ তিওয়ারি, সাংসদ শশী তারুর। কিন্তু লড়াকু নেতা অধীরের ওপরই শেষ পর্যন্ত ভরসা রাখল গান্ধী পরিবার। 

বলাযায় অধীর বাবু কংগ্রেসের শুধু বিস্বস্থ নেতা নন , ভরসাযোগ্য নেতা। তাই মিলতে চলেছে লোকসভার বিরোধী দলনেতার সন্মান । সূত্রের খবর সোনিয়া গান্ধী নিজেই প্রস্তাব করেন অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নাম এবং সর্ব সম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: