Nation

অর্থনীতি নিয়ে মুখ খুললেন অভিজিৎ

লকডাউন পরিস্থিতি নিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স

পল্লবী : করোনা সংক্রমণ, লকডাউন পরিস্থিতি নিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে রাহুলের প্রশ্নের উত্তরে অভিজিত্‍ জানান, দুটি পথ আছে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার ও বিভিন্ন সংস্থাকে দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচানোর। প্রথমত, এই ধরণের সংস্থাগুলির ঋণ ফেরত দেওয়ার সময়সীমা শুধু পিছিয়ে দিলে হবে না, একেবারে মকুব করে দিতে হবে। যাতে ব্যবসায়ীর মাথার ওপর থেকে চাপ সরে যায়। পাশাপাশি, নগদ টাকা পৌঁছে দিতে হবে সাধারণ মানুষের হাতে। কে দরিদ্র, সেটা সরকার বেছে তাঁদের হাতে টাকা দেবে, তা করলে হবে না। যাঁর প্রয়োজন, তাঁকেই সরকারকে টাকা দিতে হবে, অথবা আপাতত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে, তারপর লকডাউন উঠলে টাকা পৌঁছে দিতে হবে।

এর আগে রঘুরাম রাজন ও অমর্ত্য সেনের সঙ্গে একটি লেখাতেও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিত্‍ বিনায়ক বন্দোপাধ্যায় একাধিকবার বলেছেন, মন্দা কাটাতে মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তাই সরাসরি মানুষের হাতে টাকা পৌঁছে দিতে পারলে লাভ হবে। সেই কথাই ফের বললেন তিনি। অভিজিত্‍ এদিন বুঝিয়ে বললেন, ‘‌ধরে নিন, লকডাউনে আপনার টাকা নেই, আপনার দোকান বন্ধ। স্বাভাবিকভাবে আপনি নতুন কিছু কিনবেন না। তাহলে অন্য একটি দোকানও এভাবে বন্ধ হয়ে থাকবে। তাঁরও ব্যবসা করা সম্ভব হবে না। তাই মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য মানুষের হাতে টাকা পৌঁছে দিতে হবে, যাতে তাঁরা কিনতে শুরু করেন, এবং অর্থনীতি কাজ করতে শুরু করে। আমেরিকা এই কাজটিই করছে। আর এই প্রকল্প ধীরে ধীরে নিলে চলবে না। আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে কাজে নেমে পড়তে হবে। আমি একথা আগেও বলেছি, মন্দা দূর করার ক্ষেত্রেও এই কথা প্রযোজ্য, এখনও আবার বলছি যখন সংকটের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে।’‌

এদিন খাদ্য, রেশন ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়েও একাধিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন অভিজিত্‍ বিনায়ক। এর আগে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রাহুল গান্ধীই আলোচনা করেছিলেন প্রাক্তন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর রঘুরাম রাজনের সঙ্গেও। দেশের অর্থনীতির যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতি যে এত তাড়াতাড়ি পূরণ সম্ভব হবেনা তা জানেন সকলেই। কিন্তু অর্থিনীতি চাঙ্গা করতে মরিয়া দেশ।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: