West Bengal

আম্ফানের প্রকোপে যাতে করোনা হাসপাতালে কোনো বিদ্যুৎ ঘাটতি না হয় তাই অতি সক্রিয় রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর

বিদ্যুৎমন্ত্রী জানান, যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে, সেখানে জরুরি সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে

পল্লবী : ঘূর্ণিঝড় এর ক্ষয়ক্ষতির আভাস পাওয়ার সাথেই সাথেই দ্রুত তৎপর হয়েছে রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর। পরিস্থিতির মোকাবিলা কেমনভাবে সম্ভব তা নিয়ে মঙ্গলবার জরুরি বৈঠক করেন রাজ্যের বিদ্যুত্‍মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পরে তিনি বলেন, উপকূলবর্তী যে জেলাগুলিতে ঘূর্ণিঝড় ‘‌আমফান’‌-এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে, সেখানে জরুরি সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলায় জেলায় অফিসার থাকবেন। দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, কলকাতা, হাওড়া ও হুগলির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখছে রাজ্য বিদ্যুত্‍ বণ্টন নিয়ন্ত্রণ নিগম। হাসপাতালগুলির বিদ্যুত্‍ পুনঃসংযোগে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলাতেই অতিরিক্ত কর্মী রাখা হয়েছে।

যেবিষয় গুলি কড়া নজরে দেখছেন এবং মোকাবিলায় যা সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে তা হলো, ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত বিপর্যয়ে সরাসরি বিদ্যুত্‍মন্ত্রীর দপ্তরের ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইনে ফোন করা যাবে। নম্বর দুটি হল ৭৪৪৯৩ ০০৮৪০ এবং ৯৪৩৩৫ ৬৪১৮৪। বিদ্যুত্‍ ভবনের ডিস্ট্রিবিউশন হেড কোয়ার্টার কন্ট্রোল রুমের নম্বর হল ২৩৫৯১৯০৫। তার সাথে সাথে রাজ্যের সর্বত্র ২৪ ঘণ্টার জন্য রক্ষণাবেক্ষণের কর্মীরা প্রস্তুত থাকবেন, সর্বত্র বড় ও ছোট সিঁড়ি মজুত থাকবে।

যেবিষয়টি সবচেয়ে বেশি চিন্তা বাড়াচ্ছে তা হলো কোবিড হাসপাতাল। তবে তা নিয়েই সুব্যাবস্থা নিয়েছে দপ্তর। কোভিড, অন্যান্য হাসপাতালে যাতে বিদ্যুত্‍ বিপর্যয় না হয়, তার জন্য বিশেষ নজরদারি থাকছে। সব ডিভিশনেই ট্রান্সফর্মার ও ডিজেল সেটের ব্যবস্থা থাকছে এবং এই সব কিছুর সাথে সাথে রাজ্যস্তরে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য বিদ্যুত্‍ ভবনে ২৪ ঘণ্টা অফিসার ও কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন।

একদিকে করোনা সাইক্লোন অন্যদিকে আমপান আর মাঝে রয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ। এই অবস্থায় দুটো দিককেই সমান তৎপরতার সাথে সামাল দেওয়া প্রয়োজন। এ যেন কোনো যুদ্ধ লড়ার চেয়ে কম কিছু না !

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: