Health

আরো সচেতনতা বাড়াতে গঠন ৩ বিশেষজ্ঞ দল

আবারো প্রশ্ন উঠেছে রাজ্যের দ্বিচারিতা নিয়ে

পল্লবী : দেশের ব্যাস্ততম মহানগরীর ফুসফুসেই বাসা বেঁধেছে মারণ করোনা। রেডজোন হিসেবেই চিহ্নিত শহর ক্রমশ ভাবিয়ে তুলছে স্বাস্থমন্ত্রককে। এছাড়াও যে জেলাগুলি রাজ্য সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেই জেলাগুলি হল উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং হুগলি। এই জেলাগুলিতে বেড়েছে কন্টাইনমেন্ট জোনের সংখ্যা। এই তিন জেলায় নজরদারি চালানোর জন্য কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের চিকিত্‍সক শিক্ষকদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে, তিন বিশেষ দল। চলুন জেনে নেওয়া যাক –

৩ টি জেলার কন্টাইনমেন্ট এলাকাগুলিতে নজরদারির জন্য স্বাস্থ্যভবনের তরফে ৪ জন করে কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের চিকিত্‍সক শিক্ষকদের নিয়ে দল গঠন করা হয়েছে। তাঁরা এলাকায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। পাশাপাশি সংক্রমণ আটকাতে পদ্ধতি জানাবেন স্বাস্থ্য ভবনকে। প্রতিদিন সন্ধের মধ্যে সেই রিপোর্ট দিতে হবে। কন্টাইনমেন্ট জোনগুলিতে কারা কারা আক্রান্ত হয়েছেন, কারা আক্রান্ত হতে পারেন, কীভাবে পরীক্ষা করা উচিত, সেই বিষয়গুলির পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানা গিয়েছে।

বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের চিকিত্‍সক শিক্ষকদের নিয়ে এই দল গঠন করা হয়েছে। এই দলে কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ছাড়াও, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ, ডায়মন্ডহারবার মেডিক্যাল কলেজ, সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের চিকিত্‍সক শিক্ষকদের এই দলে রাখা হয়েছে। সবে মিলিয়ে মরিয়া সরকার রাজ্যকে যেকোনো মূল্যে সঙ্কট মুক্ত করার। তার সাথে রয়েছে এই যুদ্ধের প্রথম সারির যোদ্ধারা।

কিন্তু যে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে তা হলো, রাজ্য কে রক্ষা করতে যখন এত তৎপরতা তখন রাজ্যবাসীর কাছ থেকে তথ্য গোপন করার কি অর্থ ? যদি রাজ্যবাসী রাজ্যের আসল পরিস্থিতি আগেই জানতে পারতো তবে তারা আরো বেশি সচেতন থাকতো এর ফলে সংক্রমণ ও কমতো। এই দ্বিচারিতার প্রশ্নের মুখে রয়েই গেলো সরকার !

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: