Health

আসতে চলেছে ভ্যাকসিন, তবে অপেক্ষায় আরো পাঁচ মাস

অক্সফোর্ডের জেনার ইনস্টিটিউট বাজারে আনতে চলেছে করোনা ভ্যাকসিন

পল্লবী : ইতিমধ্যেই দিল্লিতে শুরু হয়ে গিয়েছে প্লাজমা থেরাপি। যে প্রথম রোগীর মধ্যে এটি করা হয়েছিল সে সুস্থ হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে। কিন্তু প্লাজমাতেই থেমে থাকলে বা শুধু প্লাজমা থেরাপির ওপর শুধু ভরসা করলেই হবেনা তৈরী করতে হবে ভ্যাকসিন ও। করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে এবার আসা দিচ্ছে অক্সফোর্ডের জেনার ইনস্টিটিউট। তাঁরা জানাচ্ছেন, যে ভাবে কাজ এগোচ্ছে, তাতে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভ্যাকসিন পেয়ে যাবে গোটা বিশ্ব। ভ্যাকসিন তৈরি করে তার হিউম্যান ট্রায়াল বা মানুষের উপর পরীক্ষাও শুরু হয়ে গিয়েছে। মে মাসের মাঝখান পর্যন্ত ৬০ হাজার মানুষের উপর এই ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হবে। নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর খবর অনুযায়ী, নিয়ামক সংস্থার জরুরি অনুমোদনের পরে সেপ্টেম্বরেই ভ্যাকসিন চালু হয়ে যাওয়ার আশা রয়েছে।

ভিনসেন্ট মুনস্টার যিনি হলেন এই ভ্যাকসিন তৈরির দলের অন্যতম গবেষক। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের ল্যাবে যে সব জন্তুর শরীরে প্রচুর পরিমাণে করোনা ভাইরাস রয়েছে, যেমন বাঁদর, তাদের ভ্যাকসিনটি প্রয়োগের ২৮ দিন পরে একেবারে সুস্থ হয়ে গিয়েছে।’ যদিও গবেষকদের একাংশের বক্তব্য, বাঁদরের শরীরে কাজ করেছে বলেই ধরে নেওয়া যায় না মানব শরীরেও দ্রুত ফল দেবে। তবে এই বিষয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘ আশাবাদী। রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরাস জানান, আন্ডার-ট্রায়াল ভ্যাকসিনটিকে বিশ্ববাসীর স্বাস্থ্য ভালোর জন্যই ব্যবহার করা হবে। এই ভ্যাকসিনকে যাতে সবাই পায়, তার জন্য অত্যন্ত স্বস্তায় দেওয়া হবে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর খবর অনুযায়ী, নিয়ামক সংস্থার জরুরি অনুমোদনের পরে সেপ্টেম্বরেই ভ্যাকসিন চালু হয়ে যাওয়ার কথা চলছে। অক্সফোর্ডের জেনার ইনস্টিটিউট-এর এই ভ্যাকসিন সেপ্টেম্বর অবধি যদি সময় ন্যায় তবে বলা যায় এখনো প্রায় পাঁচ মাস। আর এই মাস তবে কিভাবে চলবে। মানুষ কি তবে বিনা চিকিৎসাতেই মারা যাবেন এবার ? এই পাঁচ মাসের মধ্যে যদি বিকল্প পথ না বের করা যায় তবে পরিস্থিতির ভয়াবহতা পৌঁছবে সর্বোচ্চ্য শিখরে।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: