Big Story

উত্তেজনার পারদ চড়ছে NRS হাসপাতালে : জিবি শুরু হয়েছে সকাল ১০.৩০ মিনিটে।

কি হবে আন্দোলনের ভবিষ্যত? জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি কি ভাবে পূরণ করবেন, তাকিয়ে সারা দেশ

হতে পারে সিদ্ধান্ত :
১) রাজভবন বৈঠক : IMA , সিনিয়র ডাক্তার প্রতিনিধি ,আন্দোলনের সংযুক্ত মঞ্চ যাবেন রাজ্যপালের উপস্থিতিতে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কথা হবে।
২) হুমকির জন্য দুঃখ্য প্রকাশ করতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে
৩) হাসপাতালের প্রতিটি ডাক্তারের সহ কর্মীরদের নিরাপত্তা হাসপাতালে ও বাইরে সুনিশ্চিত করতে হবে।
৪) ২৪ ঘন্টার নিরাপত্তা দিতে হবে
৫) হাসপাতাল ও সরকার সমন্নয় কমিটি তৈরী করা
৬) নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাথে রাজ্য পুলিশ থাকুক
৭) বেসরকারী নিরাপত্তা কর্মী নয় ( এতে দালাল রাজ্ বাড়তে পারে
৮) সিসিটিভি দিয়ে মুড়ে দিতে হবে
৯) প্রেসেন্ট পার্টির জন্য ট্রমা কেয়ার ইউনিট রাখতে হবে
১০) নিরাপত্তার জন্য কুইক রেসপন্স টীম থাকতে হবে ২৪ ঘন্টার
১১) নিরাপত্তার মনিটরিং এর জন্য ইন্টারনাল বেল থাকবে তারথেকে চিহিন্ত করা হবে কোথায় সমস্যা হচ্ছে।
১২)সমস্ত হাসপাতাল গুলোকে চারটে জোনে ভাগ করে জোনাল কমিটি করা যাতে , অঞ্চল ভিত্তিক সমস্যা গুলিকে নিয়ে সমাধান করা যায়
১৩) জোনাল কমিটি গুলি নিয়ে রাজ্য স্তরের কমিটি করা
১৪ ) এই সব ক্ষেত্রে জুনিয়র ডাক্তার , সিনিয়র ডাক্তার , নার্সদের প্রতিনিধি , সাধারণ কর্মচারী, নিরাপত্তা কর্মী সঙ্গে থাকবে IMA ও রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক প্রিতিনিধি
১৫) প্রিতিদিন সারা রাজ্যের নিরাপত্তা জনিত বিষয়ের রিপোর্ট পুলিশ , হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও রাজ্য সরকার মনিটরিং করেন।
১৬) নামে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল না আছে ডাক্তার না আছে পরিকাঠামো , এরই জন্য সমস্যা হয় সেই বিষয়ে দ্রুততার সাথে হাসপাতাল ভিত্তিক রিপোর্ট তৈরি করে ব্যবস্থা নেওয়া।
১৭) রোগী ভর্তি করার সময় এমন কোনো ডিক্লিয়ারেশনে সই করানো , ভাঙচুর থেকে ডাক্তার সহ কর্মীদের গায়ে না হাত দেন
১৮) জেলা স্বাস্থ কেন্দ্রের অবস্থা খুব খারাপ , সেগুলোর ব্যবস্থা আগে করা
১৯) হাসপাতালের মধ্যে অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে তারা ঠিক কাজ করে না , উপরন্তু বেশি পয়সা চায়, তার ফলে অনেক সময় ক্ষোভ বাড়ে এবং শুরু হয় সমস্যা তার ব্যবস্থা করা। ভালো হয় পূর্ণ সরকারি ভাবে এই বিষয় গুলো করা।
২০) কেন্দ্রীয় তথ্য ভান্ডার – তাতে রুগী কত ভর্তি আছে , কে আছে কোন ওয়ার্ডে, কোন ডাক্তার দেখছেন , দিনের কোন সময় কে থাকছেন , নার্স রা আছেন , প্রয়োজনে রোগীর পরিবার খবর নিতে পারবে দিতে পারবে , রোগীর অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবে।

এই আন্দোলনের ছয় দিন কেটে গেলেও রফাসূত্র এর খোঁজে উভয় পক্ষ, সরকার ও জুনিয়র ডাক্তাররা । আন্দোলনকারীরা একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রীর সমঝতার আহ্বান ফিরিয়ে দিয়েছেন । জুনিয়র ডাক্তারদের কথা মুখ্যমন্ত্রী নিজে আসুন ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে , “আমার সঙ্গে যদি কথা বলতে নাও চায়, সে ক্ষেত্রে রাজ্যপাল, স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন ইন্টার্নরা।” এক্ষেত্রে জুনিয়র ডাক্তাররা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী এসে কথা বলুন, আলোচনার করে সমস্যার সমাধান হোক, এই অচলাবস্থা আমরা চাই না। অতয়েব দুই পক্ষই বলছেন আলোচনার পথ খোলা রয়েছে, তবে প্রশ্ন কবে হবে এই আলোচনা। ।

প্রাথমিক ভাবে এই বিষয়ের ওপর আলোচনার রূপরেখা , সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে

Show More

OpinionTimes

Bangla news online portal.

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: