West Bengal

উপনির্বাচনে জেতার পর, আবারও বুক চিতিয়ে কার্য্যালয়ে দখল তৃণমূলের।

কে দখল করল কার কার্য্যালয় ? দোষী কে ? চুপ রয়েছে পুলিশ প্রশাসনেরা।

@ দেবশ্রী : গতকাল উপনির্বাচনে তিনটি কেন্দ্রেই জয়লাভ করার পর, পুনরায় নিজেদের কার্য্যালয় দখল করল তৃণমূল। অভিযোগ উঠেছিল, লোকসভা ভোটে ১৮টি আসন পাওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মতো ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলেও একাধিক তৃণমূল কার্য্যালয় দখল করেছিল বিজেপি। এবারে অভিযোগ ওঠে, বৃহস্পতিবার বাংলার তিন আসনের উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সেই নৈহাটি, পানপুর, ব্যারাকপুরের চারটি বিজেপির পার্টি অফিস জোর করে দখল করেছে শাসক দল। অবশ্য শাসক দল দাবি করেছেন, ওই কার্য্যালয় গুলি তৃণমূলেরই ছিল। বিজেপির সেই সময়ে, গুন্ডাবাহিনী দিয়ে তা দখল করেছিল। এখন শুধু পুনরায় সেগুলি খোলা হয়েছে। বর্তমানে দুই দলই অভিযোগ টানছে একে ওপরের বিরুদ্ধে।

লোকসভা ভোটের পর এই এলাকায় হয়েছে অনেক সংঘর্ষ। দিন-দুপুরে বোমা, গুলিবর্ষণ, লাশ পড়ে যাওয়া কার্যত রুটিনে পরিণত হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং এর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, অর্জুন বাহিনী চালাচ্ছে এই তাণ্ডব। অভিযোগ ওঠে, গঙ্গার ওপারের তেলিনীপাড়া, চাঁপদানি থেকে বাহিনী ঢুকিয়ে তৃণমূল কর্মীদের ঘরছাড়া করছে, পার্টি অফিস দখল করছে। রাতারাতি ওই কার্য্যালয় গুলিকে গেরুয়া রঙে পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছিল।

লোকসভার ধাক্কার পর মুষড়ে পড়া তৃণমূল সমর্থকদের একপ্রকার অক্সিজেন দিয়েছে করিমপুর, খড়্গপুর সদর ও কালিয়াগঞ্জের জয়। আর তাতে উত্‍সাহিত হয়েই গর্তে ঢুকে পড়া কর্মী সমর্থকরা আবার হইহই করে আবারও নেমে পড়েছেন রাস্তায় প্রকাশ্যে। নোয়াপাড়ার বিজেপি বিধায়ক সুনীল সিং বলেছেন, তৃণমূল জোর করে তাদের পার্টি অফিস দখল করেছে। তাঁর এও অভিযোগ, এই গোটা বিষয়টাই হয়েছে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে। তিনি জানিয়েছেন, এই পার্টি অফিসগুলিতে আবার বিজেপির দখল হবে কারন এগগুলি তাদের। বর্তমানে চলছে একে ওপরের উপর অভিযোগ দায়েরের খেলা। কে আসল দোষী আর কার আসলে কার্য্যালয় সেই নিয়ে রয়েই যাচ্ছে ধোঁয়াশা।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: