Analysis

একদিনে সর্বাধিক সংক্রমণ,২৪ ঘণ্টায় ভারতে কোভিড পজিটিভ আরও ৫৬১১

লকডাউন শিথিল হতেই করোনা সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে

প্রেরনা দত্তঃ ক্রমশই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কোনও ভাবেই রাশ টানা যাচ্ছে না আক্রান্তের সংখ্যায়। আর সেই সঙ্গে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয় জাঁকিয়ে বসছে ভারতের বুকে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৫,৬১১ জন। যা এখনও পর্যন্ত এক দিনে সর্বোচ্চ। নতুন করে মৃত্যু হয়েছে হয়েছে ১৪০ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ভারত। বড়সড় বৃদ্ধি হয়েছে মৃতের সংখ্যাতেও।

বেশ কয়েকটি রাজ্য করোনভাইরাস থেকে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ এলাকায় বাজার, স্থানীয় পরিবহন এবং এমনকি সেলুনগুলি পুনরায় চালু করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে, স্কুল, কলেজ, থিয়েটার এবং মলগুলি বন্ধ থাকবে। লকডাউন শিথিল হতেই করোনা সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে।

দেশের মধ্যে সব থেকে উদ্বেগজনক জায়গা হচ্ছে মহারাষ্ট্র, গুজরাত ও দিল্লি ৷ সরকারি হিসেবে মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ হাজার ১৩৬ আর মৃত্যু হয়েছে ১,৩২৫ জনের৷ আক্রান্তের সংখায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। সেখানে এখনও মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২,৪৪৮ আর মৃত্যু হয়েছে ৮৪ জনের। এর পরেই রয়েছে গুজরাত, এ রাজ্যে আক্রান্ত ১২ হাজার ১৪০ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৭১৯ জনের। দিল্লিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১০,৫৫৪ আর মৃত্যু হয়েছে ১৬৮ জনের।

এর মধ্যেই যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা শুরু করতে চলেছে রেলমন্ত্রক। জুন মাসের শুরু থেকে প্রতিদিন ২০০টি ট্রেন চলবে বলে জানানো হয়েছে রেল মন্ত্রকের পক্ষ থেকে। এক্ষেত্রেও যাত্রীদের ফেস মাস্ক লাগিয়ে ও সামাজিক দূরত্ব মেনে ট্রেনে চড়তে হবে বলে জানানো হয়েছে। এই ট্রেনগুলি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হবে না।
এর আগে প্রাথমিকভাবে ১৫ জোড়া বিশেষ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেন চালু করা হয়। ১২ই মে থেকে চালু হয় ট্রেন পরিষেবা, তবে শর্তসাপেক্ষে।

এর আগে গত ১৮মে একদিনে ৫ হাজার ২৪২ জন বেড়েছিল আক্রান্তের সংখ্যা। তার আগে রেকর্ড ছিল ১৭ মে। সেদিন ৪ হাজার ৯৮৭ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যায়। তার আগে রেকর্ড গড়েছিল গত ১১ মে। সেদিন ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪,২১৩ জন। তার আগে গত ৫ মে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধিতে রেকর্ড করে ভারত। ওইদিন নতুন করে ৩৯০০ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। যত দিন যাচ্ছে করোনা সংক্রমিতের হার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। অথচ প্রশাসন এখনও লকডাউন শিথিল করতে ব্যস্ত।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: