Analysis

এতো পরিমান ক্ষতি ! সরকারের সাহায্য ছাড়া পূরণ হবে কিভাবে ?

লকডাউনের বিধি মেনেই ক্ষতি পূরণের দাবিতে বিক্ষোভ কৃষক সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির

পল্লবী : গত সপ্তাহের আমপান রীতিমতো স্তব্ধ করে দিয়েছে জনজীবন। কিভাবে চলবে পেট ? রাতে ঘুম নেই চোখে। চোখ ভর্তি চিন্তা। একেই লক ডাউন চলছে বন্ধ আয়ের পথ। আর আবহাওয়ার খামখেয়ালীতে প্রতিবারই বিপাকে পড়েছে বাংলার চাষী ভাইয়েরা। ফসল উৎপাদিত হলেও তা বিকোবে কোথায় ? কাজেই গুদাম ঘরেই পচছে শস্য। ঘোর সংকটের মুখে কৃষক ও গ্রামীণ মজুরেরা। রাজ্যে ‘আমপান’-এর জেরে ক্ষতি হয়েছে কৃষিজ সম্পদ।

কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে কৃষিজীবিদের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ চেয়ে বুধবার লকডাউনের বিধি মেনেই জেলায় জেলায় প্রশাসনিক দফতরের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাল এবং দাবিপত্র জমা দিল কৃষক সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি। ওই কমিটির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগঠন নানা কর্মসূচি নিয়েছিল এ দিন। সিপিএমের কৃষক সভা ও ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের দুই রাজ্য সম্পাদক অমল হালদার ও অমিয় পাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে দাবি করেছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে চাষের খরচ যে হেতু বহন করেছেন চুক্তি চাষি, তাই ক্ষতিপূরণ তাঁদেরও প্রাপ্য।

অন্যদিনে, হানা দিয়েছে নতুন বিপদ ‘পঙ্গপাল’. এই নতুন বিপদকে দেখে রীতিমত ভয় সিঁটিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। তাই পঙ্গপাল রুখতে সচেষ্ট হয়েছে প্রশাসনও। এই ক্ষতিকারক পতঙ্গদের বিনষ্ট করতে রাসায়ানিক পদার্থ ব্যবহার করা হচ্ছে নানান জায়গায়। মধ্যপ্রদেশের পান্নাতে পঙ্গপালের ঝাঁককে ভয় দেখাতে পুলিশ ভ্যান ও দমকল বাহিনী সাইরেন বাজিয়ে বাজিয়ে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়েছে।

পান্নার কৃষি আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘পঙ্গপালরা গতকাল পান্না টাইগার রিজার্ভে বিশ্রাম নিয়েছে, সেখানে তাঁরা বনের গাছ খেয়েছে। এগুলি ফসলেরও ক্ষতি করেছে। ফসলের ক্ষতি থেকে এদের রোধের উপায় হল জোরে আওয়াজ করা বা কীটনাশক স্প্রে করা।’ ভবিস্যতে আর কি কি অপেক্ষা করছে তা নিয়েই ভাবাচ্ছে গোটা দেশকে।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: