West Bengal

চন্দন কাঠ পাচারে অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক উইলসন চম্প্রমারি বিজেপিতে যোগ দিলেন কালচিনির

গুঞ্জন চলছিল চম্প্রমারির এই দলবদলের জল্পনা। আলিপুরদুয়ারে ঘাসফুল শিবিরের পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি যোগ দেননি।

ভাঙনে চিন্তার ভাঁজ তৃণমূলে । আরও এক বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিলেন । আজ দিল্লি তে কালচিনির তৃণমূল বিধায়ক উইলসন চম্প্রমারি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে খবর। বিপ্লব মিত্রও বিজেপিতে গেলেন।এদিন ১০ জন এদিন যোগ দিলেন। শোনা যাচ্ছে ৪ জন যোগ দেবেন। আজকের মুকুল রায় আজ সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “বাংলাররাজনীতিতে ভূমিকম্প হচ্ছে। ১টি জেলা পরিষদ বিজেপির হয়ে গেল। “

চন্দন কাঠ পাচারের ঘটনায় অভিযুক্ত হবার পর চম্প্রমারি।কয়েক দিন আগে আলিপুরদুয়ারে ঘাসফুল শিবিরের পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি যোগ দেননি।রাজ্যের মন্ত্রী ও দলের জেলা পর্যবেক্ষক অরূপ বিশ্বাসের নেতৃত্বে এই বৈঠক হয়েছে।আলিপুরদুয়ারের তিন বিধায়ক হাজির থাকলেও উপস্থিত ছিলেন না নাগরাকাটার বিধায়ক শুক্রা মুন্ডা ও কালচিনির বিধায়ক উইলসন চম্প্রমারি।

গত শুক্রবার বিজেপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে আলিপুরদুয়ার এক নম্বর ব্লক এবং ফালাকাটাতেও মিছিল করেছিল তৃণমূল। মিছিলেও চম্প্রমারি যোগ দেননি। রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় দিল্লিতে দার্জিলিং পুরসভার এই কাউন্সিলরদের হাতে গেরুয়া পতাকা তুলে দিয়েছেন।

উত্তর বঙ্গ জুড়ে সমালোচনার ঝড় , রাজনৈতিক সমালোচকরা বলছেন যে ১৮ অক্টোবর, ২০১৫, খবরে প্রকাশিত হয় চাঞ্চল্য কর ঘটনা।চন্দন কাঠ পাচারের বিষয় , স্থনীয় বিধায়ক এই ঘটনায় যুক্ত বলে বিরোধী থেকে কেন্দ্রীয় তদন্ত করি সংখ্যাও অনুমান করেছিলেন যে তিনি যুক্ত , এর পর ওনার বাড়িতে প্রায় ঘণ্টা তিনেক তল্লাশির পরে এক বাড়ি থেকে ৮.৪০ কুইন্ট্যাল চন্দন কাঠ উদ্ধার করেন বনকর্মীরা। দফতরের এক কর্তা জানান, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা।আড়াই মাস আগে ওই গ্রামে হানা দিয়েই মিলেছিল প্রায় কোটি টাকার রক্ত চন্দন। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্তার কথায়, ‘‘কাঠ পাচারের সঙ্গে স্থানীয় বিধায়কের জড়িত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আমরা শুধু প্রমাণের অপেক্ষায় রয়েছি।’’ সেই স্বয়মকার এটা রিপোর্ট ছিল। আর এটাকেই হাতিয়ার করেছে বিরোধী পক্ষ , শুধু বলার বিষয় উত্তর বঙ্গের এর তৃণমূলের বড় নেতার কথা যে , ওই চন্দন কাটের ব্যাপারে যদি দিদি ব্যবস্থা নিতো তাহলে এই দিন দেখতো হতে না। বলা যায় সেই সময় জেলা বিজেপিও চন্দন কাঠ পাচারের ব্যাপারে সরব হয়েছিল।

রাজনৈতিক সমালোচক রা বলছেন তৃণমূলে থেকে লুট করেছে , বিজেপিতে গেছে নিজেকে বাঁচাতে ,রাজ্য বিজেপিতে চাপা গুঞ্জন কেন এদের নেওয়া হচ্ছে।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: