Economy Finance

চা উৎপাদনে চরম ঘাটতি, সাহায্য চেয়ে চিঠি

এই সময় দার্জিলিং টি অ্যাসোসিয়েশনকে ঘুরে দাঁড়াতে হলে লাগবে ত্রাণ

@ দেবশ্রী : লকডাউন চলার দরুন, মুখোমুখি হতে হচ্ছে অনেক রকম সমস্যার। এই করোনার জেরে, লকডাউনে এখনও পর্যন্ত চা উত্‍পাদন ১৫ লক্ষ কেজি কমার আশঙ্কায় রয়েছে দার্জিলিং টি অ্যাসোসিয়েশন (ডিটিএ)। টাকার অঙ্কে যা প্রায় ২০০ কোটি টাকা। এই অবস্থায় ঘুরে দাঁড়াতে বাণিজ্য মন্ত্রক ও টি বোর্ডের কাছে ত্রাণ প্রকল্প-সহ একগুচ্ছ আর্জি জানিয়েছে ডিটিএ।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান বিনোদ কুমার মোহন টি বোর্ডের ডেপুটি চেয়ারম্যান অরুণ কুমার রায়কে লেখা চিঠিতে জানিয়েছেন, দার্জিলিং চা ব্যবসার ৬৫%-৭০% আসে ফার্স্ট ও সেকেন্ড ফ্লাশ চা থেকে। সেই চায়ের ৯০% রফতানি হয়। কিন্তু এ বার লকডাউনে সেই ফার্স্ট ফ্লাশ চা প্রায় হয়নি। অবস্থা যা, তাতে সেকেন্ড ফ্লাশের উত্‍পাদনও অন্তত ১০% কমবে। জার্মানি, জাপান, আমেরিকা ও ব্রিটেনের মতো রফতানি বাজারও করোনার জেরে বেহাল। ফলে এ বার রফতানি ব্যবসা প্রায় ৫০% কমবে বলে আশঙ্কা তাঁদের।

ডিটিএ-র দাবি, ২০১৭ সালের বিভ্রাট রফতানি বাজারে এমনিতেই পিছিয়ে দিয়েছে। আবার দেশে অনেক ক্ষেত্রে দার্জিলিং চা বলে নেপাল চা বিক্রি হচ্ছে। দার্জিলিং চায়ে জিআই তকমা সত্ত্বেও। নেপাল চায়ে নজরদারি বাড়ানোর দাবি করেছে তারা।

২০১৭ সালের বড় আর্থিক ধাক্কা সামলাতে তাঁরা যে ভর্তুকির আর্জি জানিয়েছিলেন, তা কেন্দ্র বাতিল করেনি বলে দাবি মোহনের। এখন সেই ত্রাণের পাশাপাশি কেন্দ্র ও টি বোর্ডের কাছে বিভিন্ন খাতে ভর্তুকিও চেয়েছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে ব্যাঙ্কিং শিল্পের কাছে ২৫% বাড়তি কার্যকরী মূলধন, ছ’মাসের জন্য ঋণ শোধ স্থগিত-সহ একগুচ্ছ আর্জি জানিয়েছে ডিটিএ। এখন দেখার বিষয় তাঁদের এই আর্জির উপর কতটা দৃষ্টিপাত হয়, তা দেখা।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: