Nation

চিনের সঙ্গে মতান্তর, মন ভাল নেই প্রধানমন্ত্রী মোদির: ডোনাল্ড ট্রাম্প

কথাই হয়নি দু'জনের মধ্যে, বলল ভারত। কূটনীতির অঙ্ক কোনপথে যাবে?উঠছে প্রশ্ন…

প্রেরনা দত্তঃ লাদাখে চিনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেজাজ ভাল নেই। ফোনে তাঁর সঙ্গে কথা বলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা জানিয়েছেন। এর আগে ভারত-চিন বিতর্কে মধ্যস্থতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। কিন্তু এই খবর আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যদিও এমন কোনও কথাপোকথন হয়নি বলে জানিয়ে দিল ভারত।

হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পকে ভারত ও চিনের মধ্যে চলমান বিবাদের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘দুই দেশের মধ্যে বড় বিবাদ রয়েছে। আমি আপনাদের প্রধানমন্ত্রীকে পছন্দ করি। উনি খুব ভাল মানুষ।” ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলেন, ‘‘ভারত ও চিনের মধ্যে বড় বিবাদ চলছে। ভারত খুশি নয়। আবার সম্ভবত চিনও খুশি নয়। আমি প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছি। চিনের সঙ্গে যাই হয়ে থাকুক, ওঁর মেজাজ ভাল নেই।”

কোনও আলোচনা হয়নি বলেই ভারতীয় সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে যে সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য নানান স্তরে আলোচনা করছে ভারত-চিন। তবে কোনও রকম ভাবেই যে দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপোষ করা হবে না, তাও জানিয়ে দেয় ভারত।

বুধবার ট্রাম্প ভারত-চিন বিবাদ শেষ করতে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেন। বলেন, যদি দুই দেশ মনে করে, সমস্যা মেটাতে কারও মধ্যস্থতার প্রয়োজন আছে, তবে আমি তা করতে তৈরি। যদিও ভারত বুধবারই জানিয়ে দিয়েছে, তারা চিনের সঙ্গে সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে পক্ষপাতী। চিনও টুইট করে বলেছে, ভারত ও চিন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বিবাদ মিটিয়ে ফেলবে, ট্রাম্পকে এ ব্যাপারে নিষ্প্রয়োজন।

মোদীর প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন যে তিনি একজন দারুন জেন্টলম্যান। ভারত ও চিনের সীমান্তে উত্তেজনা নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য, ‘বড় সংঘর্ষ হচ্ছে ভারত ও চিনের মধ্যে। ১.৪ বিলিয়ন জনসংখ্যার দুই দেশ। উভয় দেশের কাছেই খুব শক্তিশালী সামরিক ক্ষমতা রয়েছে। ভারত তো খুশি নয়, সম্ভবত চিনও অখুশি।’

লাদাখের বুকে চিনের আস্ফালন করোনার প্রবল আতঙ্কের মাঝেও বাগ মানেনি। তবে ওই সীমান্তে উত্তেজনার মাত্রা বেড়ে যাওয়া র পরই চিন গলা নামিয়ে নেয়। জানিয়ে দেয় যে পরিস্থিতির জটিলতা শান্তি পূর্ণভাবে সমাধান করা যাবে ভারতের সঙ্গে। এদিকে, চিন ভারত দ্বন্দ্বের মাঝে বারবার মধ্যস্থতার বার্তা দিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা। এমন পরিস্থিতিতে কূটনীতির অঙ্ক কোনপথে যায় , সেদিকে নজর গোটা বিশ্বের।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: