West Bengal

তিন মাসের বিদ্যুত্‍ বিল মকুবের আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে

চিঠি পাঠালেন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান ও বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী

পল্লবী : গতবছরের ঠিক নভেম্বর ডিসেম্বর মাস নাগাদ চিনের বেজিং আঁতুড়ঘড়েই জন্ম ন্যায় মারণ ভাইরাস কোবিড-১৯। তারপর সেখান থেকেই বিশ্বগ্রাসী করোনা আজ প্রায় প্রত্যেকের ঘরে ঘরে। মার্চ মাস নাগাদ এর প্রতিক্রিয়া শুরু হয় আমাদের দেশেও আর তারপর থেকেই করোনা দমন করতে প্রথমে জনতা কারফিউ তারপর প্রথম দফার লকডাউন চলে টানা ২১ দিন ব্যাপি , আর এখন চলছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন যার শেষের মেয়াদ ৩শরা মে।

লকডাউন চলার ফলে বিরাট ক্ষতির মুখে আজ বাংলা। অসংগঠিত শ্রমিক, অস্থায়ী কর্মচারী, ক্ষেতমজুর থেকে শুরু করে গৃহশিক্ষক পর্যন্ত বড় অংশের মানুষ সঙ্কটে। উপার্জনের রাস্তা প্রায় বন্ধ। বারংবার বিভিন্ন পন্থা অনুসরণ করে সামান্য সাহায্যের হাত চেয়েছে রাজ্য তথা কেন্দ্র সরকারের কাছে। কেই সেই হাত পেয়েছে কেউ পায়নি। আর এবার আরো এক আর্জি রাজ্যের কাছে তুলে ধরা হল। বিদ্যুত্‍ বিল মকুবের জন্য আর্জি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠালেন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান ও বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী।

তাঁদের আবেদন, মাসিক ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুত্‍ যাঁরা ব্যবহার করেন, তাঁদের বিল তিন মাসের জন্য মকুব করা হোক। বিদ্যুতের দাম মকুব করার দাবি তুলেছে বিজেপির যুব মোর্চাও। বাম শরিক ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য সম্পাদক নরেন চট্টোপাধ্যায়ও বুধবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, চটকল ও চা-শ্রমিকদের বেতন মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। পাশাপাশিই তাঁর আর্জি, রমজান মাসে রেশনের মাধ্যমেই বাড়তি চিনি, সুজি, ছোলা ও ময়দা দেওয়ার ব্যবস্থা করলে অনেক মানুষ উপকৃত হবেন।

একেই দেশের অর্থনীতির হাল এই মুহূর্তে বেহাল বললেই চলে। তারপর যদি করের যে আয় তাও বন্ধ হয়ে যায় তবে অর্থনীতির হার যে একেবারে শুন্যে এসে তা স্পষ্ট । তবে এমন সঙ্কটের দিনে সকলের কথা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: