Analysis

নবান্নে কেন প্রশান্ত কিশোর , ভোটের বাস্তু শাস্ত্র গবেষণা তৃণমূল ভবনেই হওয়া উচিত : বিপক্ষের মত

দিল্লি থেকে সোজা নবান্নে প্রশান্ত কিশোর , পুলিশের ঘেরা টোপে আড়াল করে নিয়ে গেলেন অভিষেক

লোকসভা ভোটের আগে রাজ্যে দাপাদাপি বেড়েছিল গেরুয়া শিবিরের। চিন্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , তাই প্রশান্ত কিশোর নবান্নে , বিতর্ক শুরু কেন তৃণমূল ভবন নয়।
প্রশান্ত কিশোর তৃণমূলকে ২০২১ সালের ভোট বৈতরণী পার করার দায়িত্ব নিয়েছেন ।নির্বাচনী রণনীতিকার প্রশান্ত কিশোর বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন । অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ওই বৈঠকে ছিলেন । প্রশান্ত একাধিক পরামর্শ দিয়েছেন বলে খবর তৃণমূলকে ।

অনলাইন এ কাজ শুরু করেছেন প্রশান্ত কিশোর

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর ওপর ভরসার ভীত কমেছে বাংলার মানুষের , দলের ভিতরে থেকে কালীঘাট কে এড়িয়ে যাওয়ার সংখ্যাও কম নয়। ওপর দিকে অভিষেকের ভাব মূর্তিও ভরসা যোগ্য নয়। দীর্ঘ দিনের নেতাদের সাথে সম্পর্ক তলানিতে। এর সাথে দলের নেতাদের ভাব মূর্তি তলানিতে , সারদা ,নারদ, টেট, পিএসসি ,এসএসসি সহ কাটমানি সব মিলিয়ে দল ও দলের নেতারা চিন্তায় আছে। ২০২০ রাজ্যে পৌর নির্বাচন তারপর ২০২১ সে বিধান সভা নির্বাচন। এই জন্য দলের পরামর্শ দাতাদের ওপর ভরসা না করে উড়িয়ে নিয়ে আসা হল প্রশান্ত কিশোর কে।

আবার ভোটের ফলপ্রকাশের পর একধাক্কায় বেড়ে গিয়েছে বিজেপির আত্মবিশ্বাস।রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে তারা ১৮টি আসন নিয়ে শাসক দলকে ।মোদী-শাহের দল শুধুমাত্র সেখানেই থামেনি ।ভাঙিয়ে নিয়েছে তারা ভাটপাড়া, দার্জিলিংয়ের মতো একের পর এক পুরসভার কাউন্সিলর ।সঙ্গে চলে গেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপিতে । পরিত্রান পেতে ২০২১ সালের আগে নির্বাচনী কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের শরণাপন্ন হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে প্রথম বার ৬ জুন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রশান্ত।

তথ্য সংগ্রহ চলছে

শোনা যাচ্ছে প্রশান্ত কিশোর কাজ শুরু করেছে , যুব সম্প্রদায়কে রাজনীতিতে যোগদানের বার্তা ঘুরছে ফেসবুকে। সেখানে একটি ফর্ম পূরণ করলেই আসছে একটি এসএমএস। তাতে থাকছে একটি লিংক।সেই লিঙ্ক কে গেলেই প্রশ্ন আসছে নাম , মোবাইল নম্বর, কোথাকার বাসিন্দা , কি কাজ করেন , বয়স কত , মহিলা না পুরুষ , কোন বিধানসভার অন্তর্গত কোনো দলে যুক্ত কিনা , কি ধরণের পর্যায়ে রাজনীতিতে যুক্ত ইত্যাদি ইত্যাদি।

তৃণমূলের এক প্রবীণ এমপি বললেন আমাদের আর কি দরকার দলে , ওই প্রশান্ত কিশোরেকে এনেই সব করুক , ওরি বুদ্ধিতে বোধ হয় কাটমানি টা বলেছেন। আর কি করবো দল করবো আমরা আর বুদ্ধি দেবে ওনি। তবে বাংলার রাজনীতি অত সহজ নয়। বিপক্ষে ক্যাডার বেশ দল আছে সিপিআই এম ও বিজেপি , সুবিধা খুব একটা হবে না।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: