Big Story

নেতা নেত্রীরা কাটমানি নিলে জানান : ১৮০০৫৫৫৮২৪৪, ৯০৭৩৩০০৫২৮ নম্বরে !

নজরুল মঞ্চে রাজ্যের সমস্ত পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরদের বৈঠকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “যাঁরা কাটমানি নিয়েছেন ফেরত দিন। কোনও চোরকে আমি দলে রাখব না।”

অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লো : সুমন্ত্র চৌধুরী ওরফে নান্তিবাবু বলেছেন, “২৫ হাজার টাকা দিয়ে ডাক্তার শান্তনু সেনের তোলাবাজির হাতেখড়ি।”
“কাজ হোক ছাই না হোক, টাকা দিতেই হতো। চার কাঠা জমি হলে আট লক্ষ টাকা। এবং সেটা নিজের মোবাইলে সুন্দর করে হিসেব রাখতেন ডাক্তার শান্তনু সেন। দু’লক্ষ জমা হলে বাকি থাকত ছয়। তারপর আবার দুই জমা করলে পড়ে থাকত চার। এ ভাবে আস্তে আস্তে শূন্য হয়ে যেত!”

“সিঁথির বুকে সিন্ডিকেট শুরু করেছিলেন শান্তনু সেনই। আমার পরিবারের ৭৫ বছরের ইট-বালির ব্যবসা। তবু কোনও কাজ করতে গেলে ওই সিন্ডিকেটের থেকেই মাল নিতে হতো।” সেই সিন্ডিকেট কেমন? ব্যবসায়ীর অভিযোগ, “দাম বেশি, কোয়ালিটি খারাপ, মাপ কম। সব দিক থেকেই মারত।”
এদিকে ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পুষ্পালী সিনহা, তাঁর বিরুদ্ধেও সুমন্ত্র চৌধুরী ওরফে নান্তিবাবু বলেন তিনি পয়সা ছাড়া কথা বলেন না , দু ব্যবহার করেন।
তিনি নিজে হাতে করে কোনও টাকা পুষ্পালীদেবীকে না দিলেও তাঁর ভাই এবং ভাইপো লাখ তিনেক টাকা দিয়ে ফেলেছেন।

সুমন্ত্র চৌধুরী ওরফে নান্তিবাবু বললেন আমাদের একটি পুরানো বাড়ি ভেঙে নতুন কান জোড়ছো তাতেও বাধা “আমায় ফোনে বললেন, কার অনুমতি নিয়ে ভাঙছেন? আমি তাঁকে বললাম, ফণী ঝড়ের সময়ে থানা থেকে বলেছিল বাড়ি ভাঙতে। পুরসভার চিঠি আছে বিপজ্জনক বাড়ি বলে। আর ভাড়াটেদের সঙ্গে সব মিটমাট করে নিয়েই বাড়ি ভাঙা হচ্ছে। তখন উনি টাকা চান। বলেন, ছ’কাঠা জমির জন্য কাঠা প্রতি দু’লক্ষ টাকা হিসেবে মোট ১২ লক্ষ টাকা দিতে হবে। আমি বলি দেব না।”

অতয়েব এই অবস্থায় বাংলার রাজনীতি নতুন বাঁকে দাঁড়িয়ে , তবে নবান্ন থেকে জানিয়েছে যে কেউ কত মানি নিলে নির্দিষ্ট ফোনম্বরে জানাতে। এই জন্য দলের নব্য সদস্য কর্নেল দীপ্তানশু চোধুরী কে দায়িত্ব দিয়েছেন মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায় সূত্র মারফোন জানা গেছে। যেকোন প্রশ্ন ১০ রাত পেরাল না মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়ের এটি স্নেহের ডাক্তার সান্তনু সেনের বিপক্ষে ব্যবস্থা নিয়ে নিদর্শন তৈরি করবেন , অপেক্ষায় জনতা।

কাটমানি নিয়ে মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে এই বিষয়ে দীপ্তানশু চৌধুরী বিষয়টি দেখবেন , দীপ্তানশু বিগত ২০১৬ বিধান সভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে দাঁড়িয়েছিলেন আসানসোল থেকে। নির্বাচনে হেরে দল বদল করেন , একদা মুকুল রায় ঘনিষ্ঠকে দেখা যাবে মমতা ব্যানার্জীর উত্থাপিত বিষয় কাটমানির ব্যাপারটা দেখবেন। সব অভিযোগ তিনি দেখবেন ও তার পর মুখ্যমন্ত্রী নিজে দেখবেন।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: