Entertainment

পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ঋষি কপূরের মুখাগ্নি করলেন পুত্র রণবীর

পুলিশ ১৫-২০ জনের বেশি লোককে শ্মশানে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি।

প্রেরনা দত্তঃ করোনা মহামারির এই আবর্তে ইরফান খানের পর ক্যানসার কেড়ে নিল তাঁকেও। বাঙালির অতি প্রিয় ঋষি কপূর। বয়স হয়েছিল ৬৭। ঋষিকে আসমুদ্রহিমাচল প্রথম চিনেছিল গোয়ানিজ মেয়ে ববি ব্রিগেঞ্জার প্রেমিক রাজ হিসেবে। ববি আর রাজ, দু’জনকেই ভালবেসে ফেলেছিল ভারতবাসী।মারা গেলেন ঋষি কপূর। গতকাল মুম্বইয়ের স্যার এইচ এন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

বিখ্যাত অভিনেতা ঋষি কপূরের মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যও সম্পন্ন হল। তাঁর মুখাগ্নি করলেন ছেলে রণবীর কপূর। লকডাউনের জেরে শ্মশানে বেশি লোকজনে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। পরিবারের লোকজন এবং কিছু ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই শ্মশানে ছিলেন।আর তার সাথেই বলিউডে একটি যুগের অবসান।কপূর পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের অভিনেতা ছিলেন ঋষি। তিনি দু’বছর ধরে অসুস্থ ছিলেন। গতকাল শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।ঋষি কপূরের শেষকৃত্যে যোগ দিতে তাঁর মেয়ে ঋদ্ধিমা সাহনিকে দিল্লি থেকে মুম্বই আসার জন্য বিশেষ অনুমতি দিয়েছে পুলিশ।

ঋষি কপূরের শেষকৃত্যে যোগ দিতে শ্মশানে যান অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। এছাড়া আত্মীয় আরমান জৈন এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন। পুলিশ ১৫-২০ জনের বেশি লোককে শ্মশানে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি।

কপূর পরিবারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘গত দু’বছর ধরে চিকিৎসা চলা সত্ত্বেও, তিনি চনমনে ছিলেন। তিনি জীবন পুরোপুরি উপভোগ করার বিষয়ে বদ্ধপরিকর ছিলেন। তাঁর সবচেয়ে পছন্দের বিষয় ছিল পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, খাওয়া ও চলচ্চিত্র। তাঁকে দেখে সবাই এটা ভেবে অবাক হয়ে যেতেন, তিনি কীভাবে অসুখকে শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলতে দেননি! তাঁকে চোখের জলে নয়, হাসিমুখে স্মরণ করাই ভাল।’

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: