Nation

পাকেদের নয়া পরিকল্প ভারতকে নিয়ে, করোনা আবহেও সংঘাত অব্যাহত

৩০০ জঙ্গিকে অন্তত ১৬টি লঞ্চপ্যাডে নিয়ে এসেছে পাক সেনা

পল্লবী : নতুন কিছু নয় করোনার সাথে কি লড়বে বিশ্ব যদি নিজেদের মধ্যেই ঐক্য না থাকে তবে কি করে বাঁচবে দেশ ? আবারো সংঘাতে ভারতকে লিপ্ত করলো পাকিস্তান। ভারতকে উতক্ত করে না না চলে বলে অনুপ্রবেশের চেষ্টা পাকেদের। সদ্য এক গোয়েন্দা রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে যে ভারতে অনুপ্রবেশের জন্য তৈরি ৩০০ পাকিস্তানি আত্মঘাতী জঙ্গি। সেনা সূত্রে খবর, সেনাবাহিনীর নর্দার্ন কমান্ডের অধীন শ্রীনগরের দপ্তর থেকে রাজধানী দিল্লিতে সেনার সদর দপ্তরে যে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে তাতে উল্লেখ রয়েছে, নর্দার্ন কমান্ডের অধীন রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ১৫ নম্বর কোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল বিএস রাজু বিভিন্ন সেনাঘাঁটিগুলিকে চরম সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

৩০০ জঙ্গিকে অন্তত ১৬টি লঞ্চপ্যাডে নিয়ে এসেছে পাক সেনা। এদের সীমান্ত পেরিয়ে কাশ্মীরে ঢুকিয়ে দিতে মরিয়া চেষ্টা চালাবে পাক সেনার বর্ডার অ্যাকশন টিম বা ব্যাট। বালুচ রেজিমেন্টের বাছাই করা জওয়ানরা নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে লঞ্চ প্যাডগুলি পাহারা দিচ্ছে। কাশ্মীরে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে দিতেও চেষ্টা করবে ওই জঙ্গিরা। ভারতীয় সেনাবাহিনীর হিউমিন্ট বা হিউম্যান ইন্টেলিজেন্স এবং টেকইন্ট বা টেকনিকাল ইন্টেলিজেন্স মারফত পাকা খবর এসেছে, করোনা আক্রান্ত জঙ্গিদেরই বাছাই করে আত্মঘাতী হামলা চালাতে লঞ্চ প্যাডগুলিতে জড়ো করা হয়েছে।

ফলে এই জঙ্গিদের জীবিত ধরা বা জেরা করাটা সেনাবাহিনীর কাছে সবচেয়ে ঝুঁকির হবে। কারণ নিজেরা সংঘর্ষে না মরলে ভারতীয় সেনাদের মধ্যে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়াটাই হবে এই জঙ্গিদের প্রধান লক্ষ্য। এদের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হিজবুল মুজাহিদিন, লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ, নবগঠিত দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট জঙ্গিরা রয়েছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মিরপুরেই হয়েছে পাকিস্তানের সেনার তৈরি করোনা রোগীদের ডাম্পিং গ্রাউন্ড। এই ডাম্পিং গ্রাউন্ডের বিরুদ্ধে সেখানকার বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে পাকিস্তানের সেনার বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ দেখিয়েছে।

পাকিস্তানের বিভিন্ন শহর থেকে ট্রাকে গাদাগাদি করে এনে করোনা রোগীদের ছাড়া হচ্ছে মিরপুরে। এখন সেখানে রয়েছেন হাজার খানেকেরও বেশি করোনা রোগী। এঁদের চিকিত্‍সার কোনও পরিকাঠামোই করেনি পাক সরকার। এঁরা ধুঁকছেন। কিন্তু এঁদের সংস্পর্শেই করোনা পজিটিভ হয়েছে সেখানে ঘাঁটি গেড়ে থাকা আত্মঘাতী জঙ্গিরা। এই করোনা আক্রান্ত ‘বাছাই করা’ আত্মঘাতী জঙ্গিদেরই অনুপ্রবেশের জন্য লঞ্চ প্যাডগুলিতে জড়ো করা হয়েছে। যেখানে সকল মানুষ চাইছেন যাতে প্রত্যেকেই সুস্থ হয়ে ওঠেন আর অন্যদিকে পাকিস্তান চাইছে মারতে আর সেটা যেকোনো মূল্যে। হয়তো কোনোদিনই পাক-ভারতীয় বন্ধুত্বের সম্পর্ক সম্ভব হবেনা।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: