West Bengal

পুরসভা কর্মীদের উপর আস্থা নেই, এবার করোনা যুদ্ধে ব্লক জীবাণুমুক্ত করতে এগিয়ে এলেন বাসিন্দারাই

অভিযোগ উঠছিল, বাড়ির বাইরে দায়সারা ভাবে রাসায়নিক ছিটিয়ে কর্তব্য সারছে পুরসভা।

প্রেরনা দত্তঃ রাজ্য জুড়ে বেড়েছে করোনা রোগের প্রকোপ। জেলায় প্রত্যেকদিনই প্রায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। শিল্প শহরে ইতিমধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাই এবার কারও অপেক্ষায় না থেকে সল্টলেকের এ ই ব্লকের একটি অংশের বাসিন্দারা নিজেরাই যন্ত্র কিনে শনিবার থেকে ওই ব্লক জীবাণুমুক্ত করার কাজে নেমে পড়েছেন।

বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘‘এ রকম উদ্যোগী হয়ে মানুষ এগিয়ে এলে প্রশাসন এবং বাসিন্দা সকলের পক্ষেই ভাল। সল্টলেকের যে সব এলাকা থেকে করোনা সংক্রমণের খবর আসছে, সেই ওয়ার্ডগুলির প্রতিটিতে দু’টি করে এবং অন্য ওয়ার্ডে একটি করে যন্ত্র দেওয়া হচ্ছে। তবে আগামী দিনে আরও যন্ত্র আসবে।’’

যদিও পুরসভার কর্মীরা বাড়ির সামনে জীবাণুমুক্ত করার কাজ করে দিয়ে যাচ্ছেন। তবু ভরসা হয়নি বাসিন্দাদের। অভিযোগ উঠছিল, বাড়ির বাইরে দায়সারা ভাবে রাসায়নিক ছিটিয়ে কর্তব্য সারছে পুরসভা। সল্টলেকের সবচেয়ে বড় ব্লক এ ই। ওই ব্লকের যে সব বাসিন্দা নিজেরাই জীবাণুমুক্ত করার কাজ করছেন, তাঁরা এ ই পার্ট ২-এর বাসিন্দা।

প্রাক্তন মেয়র তথা স্থানীয় ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্তের দাবি, ‘‘গোটা ওয়ার্ডের জন্য একটি যন্ত্র দেওয়া হয়েছে। এ ই পার্ট ১ এবং পার্ট ২ ছাড়াও, এই ওয়ার্ডের মধ্যে বি ই পূর্ব, বি ই পশ্চিম, বি এফ, সি ই, সি এফ এবং ডি এফ ব্লক রয়েছে। ফলে, একটি ব্লককে এক বার জীবাণুমুক্ত করার পরে ফের সেই ব্লকে আসতে এক থেকে দেড় মাস সময় লেগে যাচ্ছে।’’

এ ই পার্ট ২-এর ব্লক কমিটির সম্পাদক তাপস সেনগুপ্ত জানান, ১০ হাজার টাকা দিয়ে যন্ত্রটি কেনা হয়েছে। পাঁচ হাজার টাকার রাসায়নিক কিনে শনিবার থেকেই সেই কাজ শুরু হয়েছে। পুরো টাকাই ব্লক কমিটি দিচ্ছে। ব্লকের গ্যারাজগুলিতে থাকেন যে কেয়ারটেকাররা, তাঁদের নিয়েই দল গড়া হয়েছে। এতে সন্তুষ্ট বাসিন্দারাও।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: