Health

পুরোনো টার্মিনাল কে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করায় বাইরে থেকে আসা সংক্রমণকে সম্পূর্ণ রোখা সম্ভব হবে

বিমানবন্দর সূত্রের খবর, নতুন ওই কেন্দ্রে ৪০০টি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে

পল্লবী : দিন বাড়ার সাথে সাথেই বাড়ছে সংক্রমণ, ছুতে চলেছে ১.৫ লক্ষ। তাই পরবর্তী দিনে যাতে রোগীদের পরিষেবার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সামলানো কঠিন না হয় তাই কলকাতা বিমানবন্দরেই এ বার কোয়রান্টিন কেন্দ্রের ব্যবস্থা করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। পুরনো অন্তর্দেশীয় টার্মিনালকে ওই কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এর ফলে অন্য শহর বা দেশ থেকে আসা যাত্রীদের কোয়রান্টিনে রাখতে গেলে আর বাসে করে কোথাও নিয়ে যেতে হবে না। বিমানবন্দর সূত্রের খবর, নতুন ওই কেন্দ্রে ৪০০টি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আলাদা করে তৈরি হয়েছে চিকিত্‍সকদের ঘর। রয়েছে দু’টি বড় শৌচাগার। যে সংস্থাটি রাজ্য সরকারের তরফে এই কোয়রান্টিন কেন্দ্রের দেখভাল করবে, খাবারের ব্যবস্থাও তারাই করবে।

বিমানবন্দর সূত্রের খবর, আগামী দু’মাসের জন্য রাজ্য এটি চেয়ে নিয়েছে। এর জন্য রাজ্যকে ভাড়া গুনতে হবে না। শুধু ভিতরে যেহেতু ২৪ ঘণ্টা এসি চলবে, তাই বিদ্যুতের খরচ বহন করতে হবে। আগে এই খালি টার্মিনালের পাহারার দায়িত্বে ছিল আধা সামরিক বাহিনী। এ বার রাজ্য পুলিশকে দিয়ে পাহারা দেওয়া হবে। তবে, ওই টার্মিনাল থেকে বিমানবন্দরের ভিতরের দিকে, এপ্রন বা এয়ারসাইডে (যেখানে বিমান দাঁড়ায়) যাওয়ার গেটে আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানেরাই থাকবেন। কলকাতা বিমানবন্দরের অধিকর্তা কৌশিক ভট্টাচার্য মঙ্গলবার বলেন, ‘পুরনো অন্তর্দেশীয় টার্মিনাল খালি পড়ে ছিল। এ বছরে হজও হবে না। তাই ওই টার্মিনালের অ্যারাইভালের দিকটি রাজ্য সরকারকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছে।’

বিমানবন্দর সূত্রে জানিয়েছে, এ দেশের যে যাত্রীরা অন্য শহর থেকে কলকাতায় আসবেন, তাঁদের দেহে যদি সংক্রমণের আভাস পাওয়া যায় এবং তা দেখে যদি স্বাস্থ্য দফতরের মনে হয় কোয়রান্টিনে রেখে তাঁদের লালারসের নমুনা পরীক্ষা করা দরকার, তাঁদেরও এই নতুন কেন্দ্রে রাখা হবে। এ ছাড়াও ২৯ মে কলম্বো এবং মায়ানমার থেকে দু’টি উদ্ধারকারী উড়ান নামবে কলকাতায়। ওই দুই উড়ানের সব যাত্রীকেই কোয়রান্টিনে পাঠাতে হবে। সে ক্ষেত্রেও বিমানবন্দরের এই কোয়রান্টিন কেন্দ্র ব্যবহার করা হবে।আজ, বুধবার ঢাকা থেকে দ্বিতীয় উদ্ধারকারী উড়ান নামবে কলকাতায়। তবে সেই উড়ানের ১৫৩ জন যাত্রীর অধিকাংশই হোটেলে কোয়রান্টিনে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। ফলে এই নতুন কোয়ারেন্টাইনে কিছুজন মানুষকেই প্রয়োজনের নিরিখে রাখা হবে।

কোলকাতা বন্দরে এরূপ কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরির ফলে থাকবেনা সংক্রমণের ভয়। কারণ বাইরে থেকে আসা যাত্রীদের থেকেই মূলত রোগ ছড়ানোর ভয় বিপুল পরিমান থাকে তাই তারা দেশের মাটিতে নামার সাথে সাথেই তাদের সম্পূর্ণ পরীক্ষা সম্ভব হবে।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: