Nation

প্রধানমন্ত্রীর পর, রাষ্ট্রপতিকেও টুইট্যারে আনফলো করল হোয়াইট হাউজ

জানা নেই সমস্যার কারন, তাহলে কী কোনো বিপদের আঁচ ?

@ দেবশ্রী : গতকাল জানা যায় যে, হোয়াইট হাউজ আনফলো করেছে প্রধানমন্ত্রীকে। তবে শুধু তিনি নন, রাষ্ট্রপতিকেও টুইটারে আনফলো করেছে হোয়াইট হাউজ। আনফলো করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের টুইট হ্যান্ডেলটিও। এই ঘটনাকে যথেষ্ট অপ্রীতিকর মনে করছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। তাঁর মতে বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

বুধবার একটি টুইটারে রাহুল লিখেছেন, ” হোয়াইট হাউজের তরফে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর টুইটার আনফলো করার বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগের। আমার অনুরোধ, বিষয়টিকে মনোযোগ সহকারে বিশ্লেষণ করুক বিদেশমন্ত্রক।” ‌

বুধবারই প্রথম নজরে আসে প্রধানমন্ত্রীর নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট, তাঁর দফতরের টুইট অ্যাকাউন্ট, রাষ্ট্রপতির টুইট এমনকি ভারতীয় দূতাবাসের টুইট অ্যাকাউন্টও আনফলো করে দিয়েছে হোয়াইট হাউজ। এরপরেই ঝড়ের গতিতে বিরূপ সমালোচনা ছড়াতে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ট্রাম্পের কথাতেই হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন-সহ বহু ওষুধ রফতানিতে রাজি হয়েছিল, সে কথাও মনে করিয়ে দেন নেটিজেনদের অনেকে।

তাহলে হটাৎ করে কেন এই সক্রিয়তা? সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক হোয়াইট হাউজ কর্মীর ব্যখ্যা, ” প্রধানত হোয়াইট হাউজে আন্তঃদফতর যোগাযোগ রক্ষার জন্যেই টুইটার ব্যাবহার করা হয়। অন্যান্য সংযোগরক্ষার কাজ করা হয় পরিস্থিতির নিরিখে, স্বল্প মেয়াদের জন্য। তাই ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের আগে তাই ভারতের গুরুত্বপূর্ণ টুইট অ্যাকাউন্টগুলিকে ফলো করেছিল হোয়াইট় হাউজ।”
অবশ্য তাঁর এই কৈফিয়তে মোটেও সন্দেহের অবকাশ ঘটছে না, বা অবিশ্বাস যোগ্য বলা যেতে পারে। বহু ভারতীয়ই স্পষ্ট বিবৃতি আশা করছেন বিষয়টি নিয়ে। হটাৎ কী এমন হল ?

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: