West Bengal

বনগাঁ পুরসভায় তুমি কার ? সংখ্যাগরিষ্ঠ তারাই

বিজেপি ১১ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৯ জনকে পরে পুরভবনে ঢুকতে দেওয়া হলেও একটি ঘরে তালাবন্ধ করে রাখা হয়। আস্থা ভোট শেষ করে ফেলে তৃণমূল। , নথি প্রকাশ করে দাবি বিজেপির যে তারই সংখ্যা গরিষ্ঠ।

পৌরসভা থেকে বেরিয়ে বিজেপি প্রতিনিধিদের ছবি

বনগাঁ পুরসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে তাঁদেরই। প্রমাণ করে মঙ্গলবারের আস্থাভোটের প্রস্তাবের প্রতিলিপি প্রকাশ করল বিজেপি। তাদের দাবি, এই প্রস্তাবে সই রয়েছে ১১ জন কাউন্সিলরের। এদিকে একজিকিউটিভ অফিসারের সই ও সিল নেই । বনগাঁ পুরসভার আস্থাভোট নিয়ে মঙ্গলবার দিনভর টানটান উত্তেজনা ছিল গোটা এলাকায় ।তৃণমূলের দাবি বিজেপি কাউন্সিলররা সময়মতো হাজির হতে না পারায় ভোটাভুটিতে জয়লাভ করেছে তারা।

একজিকিউটিভ অফিসারের বক্তব্যেও কাটল না ধোঁয়াশা বনগাঁ পুরসভার আস্থা ভোট নিয়ে ।একজিকিউটিভ অফিসার গৌরাঙ্গ বিশ্বাস বলেন, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে জমা পড়বে রিপোর্ট। তবে তাতে কে জিতেছে তা প্রকাশ্যে জানাননি তিনি।

মঙ্গলবার দিনভর টানটান উত্তেজনা ছিল গোটা এলাকায় বনগাঁ পুরসভার আস্থাভোট নিয়ে । তৃণমূলের দাবি, বিজেপি কাউন্সিলররা সময়মতো হাজির হতে না পারায় ভোটাভুটিতে জয়লাভ করেছে তারা। বিজেপির পাল্টা দাবি, ১১ জন কাউন্সিলরের স্বাক্ষরসহ প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে একজিকিউটিভ আধিকারিকের কাছে। এর ফলে পুরসভার দখল করেছে তারা।

মঙ্গলবার দুপুরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় পুরসভা চত্বর পুরসভা কার দখলে রয়েছে এই নিয়ে বিবাদের জেরে । আবারো তৃণমূল – বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।পুলিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে ।একজিকিউটিভ অফিসার গৌরাঙ্গ বিশ্বাস সংবাদমাধ্যমকে বলেন বিকেলে পুরভবন থেকে ,ভোট হয়েছে নির্দিষ্ট সময় আস্থা ও একটিই প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।এর পরে কেউ এসে আরেকটি প্রস্তাব দিয়ে গেলে আমার কিছু করার নেই। তবে ভোটাভুটিতে কারা জয়ী হয়েছে তা বলতে অস্বীকার করেন তিনি।

বনগাঁ পুরসভার দখল রয়েছে তৃণমূলেরই হাতে নির্বাচনী আধিকারিকের মন্তব্যে স্পষ্ট, এর পর বিজেপি পরে গিয়ে একটি প্রস্তাব পেশ করলেও তা গৃহীত হয়নি। ওদিকে এদিনের ঘটনাক্রমের পর ফের আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। বিজেপির দাবি, পুলিসকে ব্যাবহার করে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার।

বিজেপির ১১ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৯ জনকে পরে পুরভবনে ঢুকতে দেওয়া হলেও একটি ঘরে তালাবন্ধ করে রাখা হয়। তারই মধ্যে আস্থা ভোট শেষ করে ফেলে তৃণমূল।

বেলা ৩টেয় নির্ধারিত সময় পুরসভায় পৌঁছতে পারেননি বিজেপির কাউন্সিলররা। তার পর ১৫ মিনিট নিয়ম মেনে অপেক্ষা করা হয়। তখনও দেখা মেলেনি বিজেপি কাউন্সিলরদের। ফলে নিয়ম মেনে শুরু হয় ভোটপ্রক্রিয়া। তাতে ১০ – ০ ভোটে খারিজ হয় অনাস্থা প্রস্তাব। তৃণমূলের ৯ জন ছাড়াও প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন ১ কংগ্রেস কাউন্সিলর।

বিকেল ৩.৩০ মিনিটের পরে একপ্রস্থ ধুন্ধুমারের পর পুরভবনে প্রবেশ করে বিজেপি কাউন্সিলররা।অনাস্থা পেশ করেন তাঁরা একজিকিউটিভ আধিকারিকের সামনে । সেই নথি প্রকাশ করেছে বিজেপি। ১১ জন কাউন্সিলর অনাস্থার পক্ষে ভোটে দিয়েছেন।EO সাহেবের কক্ষ মিটিংয়ের স্থান হিসাবে উল্লেখ রয়েছে ।৩.৪৫ মিনিট সময় লিখেছে উল্লেখ রয়েছে । রয়েছে EO সাহেবের সই ও শিলমোহর। কিন্তু নেই মিটিংয়ের কোনও ক্রমিক সংখ্যা।

Show More

OpinionTimes

Bangla news online portal.

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: