Nation

বাড়িতে অভুক্ত পেট, এদিকে গৃহকর্তা মদের লাইনে

মদের দোকান খোলা হয়তো ঠিক কাজ হলোনা, বললেন হরভজন সিং

পল্লবী : যা ভয় সকলে পাচ্ছিলো সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো। মদের দোকান খুলতেই হাওয়ায় উড়ে গেলো সামাজিক দূরত্ব। সোমবার থেকে দেশে মদের দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দোকান খুললেও বলা হয়েছিল করোনা সংক্রমণ রোখার সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেন চলা হয়। কিন্তু চাতকের বৃষ্টি দেখলে তার কি আর মাথায় থাকে বাকি অন্য সব সতর্কতা। মানুষের ঢল নামলো দোকানের সামনে সামনে। কেন আজ সারা বিশ্ব জুড়ে করোনা তার রাজ চালাচ্ছে তার কারণ স্পষ্ট হয়ে গেলো, হ্যাঁ সাধারণ মানুষের এরূপ অসচেতনতার কারণেই আজ এই অবস্থা গোটা পৃথিবীর। কিন্তু দেখুন এখনো সামান্য তম সাবধানতা টুকুও মানছেন না তারা।

আর এবার সেই বিষয়েই ট্যুইটারে সমালোচনা করলেন প্রাক্তন ভারতীয় স্পিনার হরভজন সিং। তিনি একটি ভিড়ের ছবি শেয়ার করে‌ ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘‌সবাই মিলে এতদিন ধরে যে পরিশ্রম করেছেন, একদিন মদের দোকান খুলে সেই সব পরিশ্রমে জল ঢেলে দেওয়া হল। এটা মোটেই ভাল হল না। এত লোক রাস্তায় নেমে পড়েছেন.‌.‌.‌সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিংয়ের নিয়ম কেন মানা হচ্ছে না?‌ এটা না আপনাদের জন্য ভাল, না আমাদের দেশের জন্য ভাল হল।’‌

দেশের ভালো ভাবা তো দূরের কথা নিজের ভালো টুকুও বুজতে শিখলোনা মানুষ। এর আগেও আমরা বহুবার দেখেছি যে মদ না পাওয়ায় আত্মহত্যা করেছে বহু মানুষ। যে কোনো উৎসব অনুষ্ঠানে ভালো-মন্দ খাওয়া মানেই সেখানে থাকবে মদ। আর এখন তো কেন্দ্র অর্থাৎ সরকারি ছাড়পত্র মিলেই গেছে তাহলে আর দেখে কে ! আচ্ছা ভারতের মতো একটা দেশে যেখানে গরিব আর বড়োলোকের সংখ্যার অনুপাত তা মোটেই সমান নয় ,তুলনামূলক বসাবে বড়োলোকের সংখ্যা টা কমই।

তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে যেখানে মানুষ না খাতে পেয়ে পেটের জ্বালায় কখনো স্ত্রী কে আবার কখনো সন্তান কে খুন করছে সেখানে মদের দোকান খোলাতেই এত টাকা আসলো কোথা দিয়ে মশাই ? যেখানে আবার দামের ওপর বসানো হয়েছে ‘স্পেশাল করোনা ফি’. ঘরে দু-মুঠো ভাতের জন্য হাপিত্যেশ করে মরছে সেখানে ভিড় বাড়ছে মদের দোকানে !

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: