Analysis

বিগত দিনের খাস গপ্পো , আজ বাস্তবে : সকলের মনই বেজায় ভারাক্রান্ত “সৌজন্যে আম্ফান “

২৫ মে থেকে বিমান চলাচল শুরু হচ্ছে তাই তার আগেই সবকিছু সাধারণ ছন্দে ফেরাতে মরিয়া কতৃপক্ষ

পল্লবী : সকলে একথা জানতেন যে ২০০৯ এর ১১ বছরের মাথায় আবারো সেই দৃশ্যের শরিক হবেন গোটা শহরবাসী। কিন্তু সত্যিই সামান্যতম অনুমানও করেননি যে তার ভয়াবহতা এরূপ হবে। তছনছ হয়ে গেছে মহানগরী। কলকাতার মতো ব্যাস্ততম শহরের একাধিক এলাকাতে গত ২ দিন ধরে বন্ধ বিদ্যুৎ পরিষেবা, ইন্টারনেট পরিষেবা তো দূরের কথা নেই সামান্য নেটওয়ার্কও তার সাথে বন্ধ টেলভিশন সংযোগ সবমিলিয়ে এমন দুর্গতি শেষ কবে হয়েছিল তা জানা নেই।

অন্যদিকে, জলে ভাসছে কলকাতা বিমানবন্দর। যাতে খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি না হয় তাই আগে থেকেই ছোটোবড়ো ১০ টি বিমান কে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অন্যত্র। জানা যাচ্ছে, পাম্প চালিয়ে জল বের করা হয়েছে। রানওয়ে খুলে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যেই জরুরি বিমান পরিষেবা শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে যে বিমানগুলি ছিল সেগুলিকে প্রবল হাওয়াতে টলতে দেখে রীতিমত ঘুম উড়ে গিয়েছিল অনেকেরই। এর উপর ছিল কাচের ভয়ঙ্কর আওয়াজ। এক কর্মীর কথা অনুযায়ী, যেভাবে কাচগুলি আওয়াজ করছিল তাতে মনে হচ্ছিল যে কোনও সময়ে ভেঙে পড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ নামে একটি রাশিয়ান বিমান। এরপর দিল্লির উদ্দেশে উড়ে যায় একটি কার্গো।কিন্তু এইসব বিপর্যয় কাটিয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের ছন্দে ফিরেছে কলকাতা বিমান বন্দর। তবে সেই মুহূর্তেও বিমানবন্দরের একাধিক জায়গায় থৈ থৈ করছে জল পরে পাম্প দিয়ে সেই জল ধীরে ধীরে সরিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, এয়ার ইন্ডিয়ার হ্যাঙার, অর্থাত্‍ যেখানে বিমান রাখা হয়, সেটি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার সিএমডি রাজীব বনসল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাদের দুটি প্লেন ছিল বিমানবন্দরে। সেগুলির কোনও ক্ষতি হয়নি। তবে একটি বেসরকারি প্লেন ছিল তাদের হ্যাঙারে পার্ক করা, তার অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত। অন্যদিকে, যেহেতু ২৫ মে থেকে বিমান চলাচল শুরু হচ্ছে তাই তার আগেই সবকিছু সাধারণ ছন্দে ফেরাতে মরিয়া কতৃপক্ষ।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: