Big Story

মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের হুমকির রেস্ কাটতে না কাটতেই, অগ্নিগর্ভ উত্তর ২৪পরগনা

রাজনৈতিক এরিয়া দখলে মরিয়া তৃণমূল , নব্য বিজেপি নেতাদের ম্যান রাখতে রাত ভোর বোমা বাজি : নিষ্কৃতি চাইছেন নাগরিকরা

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে RAF, কাঁদানে গ্যাস বারাসতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রাতভর বোমাবাজি,
দুই পক্ষের তুমুল বোমা বাজি যা বিগত অনেক দিন দেখেনি বারাসাতের মানুষ। রাস্তা ফাঁকা করতে টিয়ার গ্যাসের সেলও ফাটানো হয়। আরও পুলিস এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করে। এরপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।তৃণমূল এলাকা ঘিরে ফেললে বিজেপির দুষ্কৃতীরা বোমা ছুড়ে রাস্তা ফাঁকা করার চেষ্টা করতে শুরু করে , এর পর পুলিশ বিশাল বাহিনী নিয়ে বেড়াবার পথ আটকে দেয়।

উত্তপ্ত বারাসত রাতভর পুলিস-জনতা খণ্ডযুদ্ধে । ছোড়া হয় বোমা, পুলিসকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি,।লাঠিচার্জ করে পুলিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে । ফাটানো হয় টিয়ার গ্যাসের সেল। আহত হন দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন। বোমাবাজি করে রাস্তায় ইট ফেলে পুলিসকে এলাকায় ঢুকতে বাধা বিজেপির। বিজেপি পুলিশ প্রথমে সংঘর্ষ না হলেও পরে চূড়ান্ত হয়, এরপরে RAF ও কমব্যাট ফোর্স গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর ধরপাকড় শুরু হয় এখনও পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। এই ঘটনায় ৪পুলিস কর্মী আহত হন, তাদের বারাসত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২পুলিস কর্মীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে RAF, কাঁদানে গ্যাস বারাসতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রাতভর বোমাবাজি

এই ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে বেলায়। সূত্র মারফত জানা যায় ,তৃণমূল কর্মী স্বপন চক্রবর্তীকে বিজেপির কর্মীরা রাত আটটা নাগাদ দ্বীজহরিদাস কলোনির একটি ক্লাবে তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ। ক্লাবের মধ্যে আটকে রেখেই তাঁকে মারধর করা হয়। এই খবর ছড়িয়ে পরে , খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বারাসত থানার পুলিস। তারপর স্বপন চক্রবর্তীকে উদ্ধার করে ফিরে আসার সময়ই পুলিসকে লক্ষ্য করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। ছোড়া হয় বোমাও।সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেসময় লাঠিচার্জ করে। তখন বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা আহত হন। রাস্তা ফাঁকা করতে টিয়ার গ্যাসের সেলও ফাটানো হয়। পুলিস এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করে। তারপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে যে ,
১)পাশেই জেলা পুলিশের সদর কি ভাবে এতো বোমা মজুত হল ?
২) জেলা গোয়েন্দা দফতরের কাছে কি কোন খবর ছিল না ?
৩) যখন তৃণমূল নেতা ও মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক হুমকি দেন এলাকা দখলের তখন পুলিশ কেন আগে থেকে ব্যবস্থা নিলো না ?
৪) তৃণমূল ও বিজেপির সমর্থকদের হাতে এতো বোমা সহ আগ্নেয় অস্ত্র এলো কি করে ?
৫) জেলার সিন্ডিকেট ভাগ হচ্ছে এটা তো পুলিশের জানা ছিল , হতে পারে রক্তাত্ব এরিয়া দখল- তবে আগাম ব্যবস্থা নয় কেন ?
৬) জেলা পুলিশের কাছে তো তালিকা আছে কারা এই জেলার দুষ্কৃতী , তাদের আগাম গ্রেফতার করলো না কেন ?
৭) রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে তবে কি পুলিশ ও তৃণমূল এক সাথে এলাকা দখলে নেমেছে ?

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: