Big Story

মমতা – ইমরান খান যোগ, বিদ্যুৎ সংস্থা গুলি TMC কে টাকা পয়সা দেয় : বিস্ফোরক সায়ন্তন

"বিজেপি পাকিস্তানের কোন যোগ নেই , যোগ আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।আমাদের কাছে প্রমাণ আছে। সব আমরা প্রকাশ করব। TMC টাকা নেয় বিদ্যুৎ সংস্থা গুলি থেকে " বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু তোপ দাগলেন !

নিজস্ব সংবাদদাতা : NRC কে সামনে রেখে উভয় পক্ষ বাক বিতর্ক সীমা ছাড়িয়ে গেল , রাজ্য বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু বলেন পাকিস্তানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যোগ রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ইমরান খান যাই বলেন সেটাই বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বক্তটি রাজ্যের নগরায়ন মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ‘পাকিস্তানের সঙ্গে বিজেপির যোগসাজশ’ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এভাবেই পাল্টা আক্রমণ চালালেন। যা সম্প্রতি কালে রাজনীতিতে কথার মাত্রা ছাড়িয়ে গেল উভয় পক্ষের।ওই বিজেপি নেতা আরো বলেন “কে বলেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের নেতৃত্বে ভোট? কে বলেছে এই রাজ্যে মিনি পাকিস্তান বানাব? জবাব দিক তৃণমূল।”

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , আর এই নিয়ে সারা রাজ্যে বেশ কয়েকটি মিছিল ও সভা করেছেন। সেই সাথে সর্ব ভারতীয় স্তরে বিরোধী জোট করার চেষ্টা চালাচ্ছেন , যদিও খুব একটা সফল হয় নি। এক দিকে যখন বাম-কংগ্রেস এক যোগে বেশ কয়েকটি মিছিল ও সভা করে বেশ নজর কেড়েছে তখন ঠিক রাজনৈতিক হাওয়া পালে লাগাতে সৌজন্যতার উর্ধে উঠে বাক যুদ্ধ চরমে।

বস্তুত তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মদিনে উপলক্ষে একটি সভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে নিশানা করেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পুরমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে যোগসাজশ আছে বিজেপির! এখবর বিজেপি অফিসে পৌছালেই পাল্টা তোপ দাগলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু ।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে , বিজেপি ও তৃণমূল উভয় দলই নিজেদের পায়ে কুরুক মারছেন , কারণ এক দিকে যেমন অভিযোগ করছেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুর যে ১) মমতা – ইমরান খান যোগ। অন্য দিকে ২) বিদ্যুৎ সংস্থা গুলি TMC কে টাকা পয়সা দেয়। আর এর পর বলেন “আমাদের কাছে প্রমাণ আছে , সব আমরা প্রকাশ করব।”
অপরদিকে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম অভিযোগ করেন বিজেপি-পাকিস্তান যোগ , এর ফলে উভয় ক্ষেত্র নিয়ে জনস্বার্থ মামলা যদি কেও করেন তাহলে উভয় দলই বিপদের সামনে পড়বে।এর কারণ NRC থেকে বেরোজগারী , ধর্ষণ থেকে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি তে যেভাবে সাধারণ মানুষ পথে নেমে আসছে তাতে এই ধরণের আবেদন কেও না কেও জানাতেই পারেন আদালতে। সেক্ষেত্রে বিপাকে পড়তে পারেন উভয় নেতারাই।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: