Entertainment

মহামারী নিয়ে ছবি হতে চলেছে এবার বলিউডে

করোনা আতঙ্ক নিয়ে তৈরি হচ্ছে ছবি বাংলাতেও।

প্রেরনা দত্তঃ বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন অনেকেই। এ সংক্রান্ত ঘোষণাও দিয়ে রেখেছেন কেউ কেউ। পরিচালক আনন্দ গাঁধী মহামারী নিয়ে একটি ছবি করতে চলেছেন। ‘শিপ অব থেসিয়াস’, ‘তুম্বড’-এর মতো অন্য ধারার ছবি করিয়ে আনন্দ নাকি গত পাঁচ বছর ধরে তাঁর প্যানডেমিক মুভি নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন। ‘ইমার্জেন্স’-এর চিত্রনাট্যও মোটামুটি প্রস্তুত ছিল। কিন্তু চোখের সামনে করোনার এই দাপট এবং বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে আনন্দও তাঁর লেখায় বদল আনছেন।

পরিচালকের কথায়, ‘‘মহামারি কী এবং তার ফলে কী কী হতে পারে, এ সব নিয়েই আমার আগের স্ক্রিপ্ট ছিল। কিন্তু করোনা আমাদের হাতনাতে বুঝিয়ে দিয়েছে, মহামারি কী ভীষণ বস্তু এবং তার সামনে আমরা কতটা অসহায়। সেই মতো লেখায় বদল এনেছি। কাল্পনিক পরিস্থিতির বদলে আমি বাস্তব ঘটনা তুলে আনতে পারি এখন।’’ আনন্দের পুরনো চিত্রনাট্য অনুযায়ী ‘ইমার্জেন্স’-এর সময়কাল ছিল ২০২০। এ বার তিনি বিষয়টি ২০২৫ সালে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান চরিত্রে সুশান্ত সিংহ রাজপুতকে নেওয়ার কথা ভাবছেন তিনি। চারজন বলিষ্ঠ অভিনেত্রী চান, মহিলা চরিত্রের জন্য। আনন্দের আশা এ বছরের শেষে তিনি ছবির শুটিংয়ের কাজ শুরু করতে পারবেন।

অন্যদিকে লকডাউনের শুরু থেকে, মহামারীর এক্কেবারে গোড়ায় রাজ্যবাসীকে ভরসা দিয়ে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ভরসা ক্যামেরায় বন্দি হয়ে ছড়িয়ে পড়ল পরিচালক অরিন্দম শীল এবং যৌথ প্রযোজক ক্যামেলিয়া প্রোডাকশন আর ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের সৌজন্যে।ছবির নাম ‘ঝড় থেমে যাবে একদিন’৷

ছবির কাহিনিতে তুলে ধরা হয়েছে করোনা ভাইরাসের ফলে উদ্ভূত সংকটকে৷ বৃদ্ধ বাবা ও মেয়ে হঠাৎ লকডাউনের জেরে আটকে পড়েছেন ভিন্ন জায়গায়৷ একে অপরের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না৷ এই দূরত্বের ফলে সংকট ঘনীভূত হয়৷ দু’জনই প্রচণ্ড উদ্বেগের মধ্যে পড়েন৷ প্রশাসন ও চিকিৎসকের সাহায্য পান তাঁরা৷ ছবির শেষে পিতা ও কন্যার সাক্ষাৎ৷ সঙ্গে বার্তা, করোনা রুখতে থাকতে হবে ঘরেই৷ মেনে চলতে হবে সামাজিক দূরত্ব৷

আবার ৩৩ বছর বয়সী ইরানি-কানাডিয়ান চলচ্চিত্রকার মোস্তাফা কেশভারি।কানাডিয়ান থ্রিলার ‘করোনা’ বানিয়ে ফেলেছেন তিনি। এক শটের এই সিনেমার শুটিং হয়েছে লিফটে। করোনার দিনে এক অ্যাপার্টমেন্টের লিফটে আটকে পড়া মানুষের গল্প এটি। খবর হলিউড রিপোর্টার ও দ্য গার্ডিয়ানের।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: