Big Story

” মাথায় দুর্যোগ ,অনিয়ন্ত্রিত বসতি ” কন্ট্রেটটার -প্রোমোটারদের হাতে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে কলকাতা : নির্বাক সরকার

আমপানের সেই ভয়াবহতার যথেষ্ট ছাপ এখনো স্পষ্ট

পল্লবী : গত বুধবার জীবন পাল্টে দিয়েছে হাজার হাজার মানুষের। পরিস্থিতি নিয়ে বারংবার সাবধান করেছিল সংশ্লিষ্ট মহল, প্রাণে বাঁচলেও সম্পূর্ণ ধূলিস্যাৎ হয়ে গিয়েছে মানুষ গুলির ভবিষ্যৎ। তবে সেই প্রত্তেকজন মানুষের পাশে রয়েছে রাজ্যসরকার। আমফানের তাণ্ডবে রাজ্যে কমপক্ষে ৮০ জন প্রাণ হারিয়েছেন,বাস্তবে অনেক বেশি।। বৃহস্পতিবার সরকারি ভাবে এমনটাই দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা। মৃতদের মধ্যে শহর কলকাতারই ১৯ জন। গোটা দুদিন কেটে যাওয়ার পরেও মোটেই স্বাভাবিক নয় শহর। আমপানের সেই ভয়াবহতার যথেষ্ট ছাপ এখনো স্পষ্ট। পুরসভায় কর্মীরা, কলকাতা পুলিশ ও অন্যান্য বিভাগের কর্মীরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন কলকাতাকে পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে।

এই মুহূর্তে কলকাতার দৃশ্য বলতে গেলেই যে চিত্র ফুটে উঠবে তা হলো গাছের ভারে ছিঁড়ে পড়ে আছে বিদ্যুতের তার, কোথাও উপড়ে গিয়েছে লাইটপোস্ট বা সিগনাল পোস্ট ফলে বন্ধ গিয়েছে রাস্তা, কোনও কোনও রাস্তায় আবার জল দাঁড়িয়ে রয়েছে ফলে গাড়ি চলাচল করতে পারছে না, বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। শহরতলির কোনও কোনও এলাকা আবার চলে গিয়েছে জলের তলায়।বৃহস্পতিবার বিধ্বস্ত কলকাতা সরজমিনে দেখতে রাস্তায় নামেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, কিছুটা সময় লাগবে।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি পরিস্থিতির ভয়াল রূপ সম্পর্কে বলেন যে, “সারা কলকাতা লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। দু-তিনশ গাছ পড়বে ভেবেছিলাম। কিন্তু প্রায় পাঁচ হাজার গাছ পড়েছে। এখন মূল লক্ষ্য হাসপাতাল-শ্মশান ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ যাবার রাস্তা গুলো পরিষ্কার করা। আমাদের পুরসভার কর্মীরা দিন-রাত কাজ করছেন। মুখ্যমন্ত্রীও তদারকি করছেন। শহরে প্রথমে মূল রাস্তাগুলো কেটে সরানোর চেষ্টা হচ্ছে। শুক্রবার থেকে ছোট রাস্তা-ভেতরের রাস্তা এবং বাড়ির ওপরে থাকা গাছগুলো সরানোর কাজ শুরু হবে”।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: