Big Story

মুকুলে বিপদ , দফায় দফায় অভিযোগ দিল্লি বিজেপিতে । ডানা ছাটতে উদ্যোগী কট্টরপন্থিরা !

তৃণমূল ,সিপিআইএম ও কংগ্রেস ভাঙিয়ে নিয়ে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধির থেকে লুম্পেনদের উত্তান হচ্ছে বলে মনে করেন বিজেপির কট্টর কট্টরপন্থিরা ।

ভোটের আগে ও পরে যে ভাবে দলের মধ্যে মতানৈক্য শুরু তাতে বেজায় অসুস্থিতে পড়েছেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয় থেকে শিবপ্রকাশ , কিছু কথা পৌঁছেছে অমিত শাহ থেকে মোদী। দিলীপ ঘোষ সহ প্রতাপ চ্যাটাজী বিব্রত মুকুলে , মনিরুল থেকে অর্জুন যেভাবে এক সন্ত্রাসী অভিমুখ তৈরী করছে তাতে ভবিষ্যতে বিজেপি কালিমালিপ্ত হতে চলেছে। তার থেকেও বড় বিষয় মুকুলের অনুগামীরা যে ভাবে নিজেদের জায়গা করতে বিজেপি কে ব্যবহার করছে তাতে রাজনৈতিক মহলে সমালোচিত হচ্ছে , বিশেষ সূত্রে জনাযাচ্ছে তাই এই রিপোর্ট গোপনে পাঠানো হোল দিল্লিতে।বিজেপি পার্টি অফিস যেন সেটেলমেন্ট অফিসার কাজ করছে , বিভিন্ন্য ব্যবসায়িক আবদার আবেদন নিয়ে নেতাদের কাছে মোসায়েবীপনার ধরণ দেখলেই বোঝা যায় যে , পার্টি এগোচ্ছে অনেক গতিতে বললেন এক রাজ্য নেতা। মনিরুল আর অর্জুনরা এখন সম্পদ তাই সিন্ডিকেট বাহিনী হলো বিজেপির রেজিমেন্টেড বাহিনী এটা দুর্ভাগ্যের নয় বিপদের , আমরা আদর্শের জন্য লড়াই করি – যখন টিভি তে বসার লোক নেই তখন আমরাই তুলে ধরেছি পার্টির কথা। আরো বলেন এটা সিপিআইএম এ হয়েছিল শেষের দিকে , তৃণমূল শুরুটাই এদের নিয়ে আর বিজেপি তে এটা হবে ভাবি নি।

জেলায় জেলায় যে ভাবে প্রোমোটার ও সিন্ডিকেট বাহিনী ঢুকছে তাতে খুব তারাতারি দল পাল্টা মার্ তৃণমূল কে দিলেও আগামীদিনের ক্ষেত্রে বিজেপির বিপদ। এখন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে দলে যুক্ত হচ্ছেন বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মীরা, উত্তর বঙ্গ থেকে কলকাতা তা বলার মত নয়।

অভিযোগ এ যেন মুকুল বাবু এজেঞ্চি দিয়ে দিয়েছে , আর এই সুযোগে মুকুল অনুগামীরা মার্কেটিং এ নেমে পড়েছেন , বামেদের গায়ক থেকে তৃণমূলের অভিনেতা – সবাই এখন মুকুল পন্থী ও প্রচন্ড বিজেপি যা দেখে অনেকেই বলবে কে কৈলাশ বিজয়বর্গীয় আর কে দিলীপ ঘোষ। প্রশ্নও উঠেছে দলের অভ্যন্তরে , মুকুল কি চাইছেন ? তাও পরিষ্কার নয় দল। কুনাল ঘোষ থেকে অমিতাভ মজুমদারের হয়ে সব্যসাচী সকলেরই রাজনৈতিক অভিভাবক যদি মুকুল হয় তাহলে বিজেপির লাইন অফ পলিটিক্স কি হবে। রাহুল থেকে সৌমিক মন কষা-কসি থাকলেও এই ব্যাপারে একমত , আগামী তে বিজেপি বিপদে পড়বে বলে মনে করেন বিজেপির বিশেষ মহল।

বিজেপি অন্দরের খবর এ ক’দিন ধরে দল এবং সঙ্ঘের অন্দরে মনিরুলকে নিয়ে এতটাই ঝড় বয়ে গিয়েছে যে মুকুলকে ব্যাকফুটে গিয়ে তাঁর ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছার কথা প্রকাশ্যে আনতে হয়েছে। সঙ্ঘ বা বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব শুধু অসন্তুষ্ট নন, বীরভূমের জেলা ভাঙ্গনের মুখে , বিজেপিতেও প্রচণ্ড অসন্তোষ বলে খবর।

বিগত দিনে যে ভাবে মনিরুল মমতা ব্যানার্জীর দলে থেকে সিপিআইএম ও সাধারণ মানুষের উপর যে অত্যাচার করেছেন তা প্রকাশ্যে বেরিয়ে আসছে। বীরভূম জেলার সৈকত মন্ডল বিজেপি কর্মী বললেন আমি তিন বছর ঘরছাড়া ছিলাম এই ফিরেছি , আর যিনি আমায় ঘর ছাড়া করলেন তিনি এখন বিজেপিতে। এবার বোধহয় আমাদের দল থেকে বসে যাওয়া ভালো। তাঁর কথায়: ‘‘আমরা সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মনিরুল ইসলামকে আমরা মেনে নেব না। মনিরুলকে দলে নেওয়ার আগে আমাদের সঙ্গে কোনও কথা বলা হয়নি। কাউকে জানতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। দলের নেতা রামকৃষ্ণের দাবি, তাঁরা এই সিদ্ধান্তের কথা মৌখিক এবং লিখিত ভাবে রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। রাজ্য নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত যেন তাঁদের অনুকূলেই হয়, এমনটাই রামকৃষ্ণেরা আশা করছেন ।

অন্য দিকে দলের রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায়, সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বা সঞ্জয় সিংহরাও মনিরুলকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে মোটেও খুশি নন । এদিকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষও এ বিষয়ে তাঁর অসন্তোষের কথা সম্প্রতি একটি সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেন। দিলীপ ঘোষ সরাসরি না বললেও শুধু মনিরুল নয় অনেকেই যারা মুকুলের সাথে থাকেন বা ওনার অনুগামী হিসেবে কাজ করছেন তারা অনেকেই সুবিধেবাদী তাই সতর্ক।
সম্প্রতি জেলায় জেলায় যে ভাবে পার্টি অফিস দখল থেকে বিপক্ষের কর্মীদের মারধর সহ হুমকি এবং বিজয় মিছিল নাম যে উৎশৃঙ্খলতা চলছে তাতে সাধারণ মানুষ বিজেপি বিমুখ হচ্ছেন। সামাল না দিলে আগামীতে বিপদ অসন্ন্য।

Show More

OpinionTimes

Bangla news online portal.

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: