Nation

লকডাউনের চতুর্থ দফা কীভাবে পালন ? তা জানানো হবে ১৮ মে-র আগে,বললেন প্রধানমন্ত্রী

সতর্ক থেকে সব নিয়ম পালন করে ভাইরাস থেকে বাঁচতে হবে। নিজেদের সঙ্কল্প আরও মজবুত করতে হবে। এই সঙ্কট থেকে মুক্ত হতে হবে, বললেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রেরনা দত্তঃ মঙ্গলবার রাত ৮ টা নাগাদ তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। আর সেখানেই তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, লকডাউন বাড়বে। তবে ফের তা কতদিনের জন্যে, এখনই তিনি তা জানাননি। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘১৮ মে’র আগে লকডাউন-4 সম্পর্কে জানানো হবে। করোনার সঙ্গে লড়ব, এবং এগিয়েও চলব।

‘ সোমবারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে দেশে করোনার চলনের বিষয় একটা সম্যক ধারণা হয়ে গিয়েছে। জেলাস্তরেও কীভাবে ধাপে ধাপে লকডাউন তোলা যায়, তা বোঝা যাচ্ছে। কোভিড সংক্রান্ত তথ্য এর বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে সোমবার অনলাইনে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। পূর্ব নির্ধারিত ওই বৈঠকের পরেই ১৭ মে’র পর আরও এক দফায় লকডাউন বাড়ানোর কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীদের বড় অংশই কিন্তু লকডাউন বাড়িয়ে যাওয়ার পক্ষেই সওয়াল করেন। বক্তব্যের শুরু থেকেই তিনি আত্মনির্ভর ভারত গড়ার ডাক দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৪২ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত, পৌনে তিন লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ভারতেও বহু মানুষ তাঁদের আত্মীয়কে হারিয়েছেন। তাঁদের প্রতি সমবেদনা। একটা ভাইরাস দুনিয়াতে ত্রাস হয়ে উঠেছে। গোটা বিশ্ব প্রাণ বাঁচাতে যুদ্ধ করছে। এমন সংকট না দেখেছি, না শুনেছি। নিশ্চিতভাবেই মানুষের জন্যে এই পরিস্থিতি অভূতপূর্ব। কিন্তু ভেঙে পড়লে চলবে না। মানুষকে তা মানায় না। সতর্ক থাকতে হবে। সমস্ত নিয়ম মেনে আমাদের এবার বাঁচতে হবে। এগোতেও হবে। আমাদের সংকল্প মজবুত করতে হবে।’

অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য রাজ্যদের প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করা হচ্ছে বলে জানান মোদী। ২০২০ সালে ২০ লক্ষ কোটির প্যাকেজ। জমি, শ্রম, নগদের জোগানের জন্য প্যাকেজ। এই প্যাকেজ মধ্যবিত্তদের জন্য, যাঁরা কর দেন। কাল থেকে দেশের অর্থমন্ত্রী বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

ভারতের জিডিপি-র ১০ শতাংশ এই আর্থিক প্যাকেজ, জানালেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘১৩০ কোটি মানুষকে আত্মনির্ভর হতে হবে। আমাদের ঐতিহ্য তাই বলছে। সময় তো একসময় সেরকমই ছিল।’ তাঁর কথায়, ‘আমরা পাঁচটা পিলারের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি। অর্থনীতি- যা অনন্য হবে, দ্বিতীয় হল পরিকাঠামো-যা অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য হবে। তৃতীয় হল সিস্টেম, চতুর্থ আমাদের গণতন্ত্র, সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র আমাদের। সেটাই আমাদের শক্তি। আর পাঁচ নম্বর হল মস্তিষ্ক। আমাদের অসীম ক্ষমতা।’

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: