West Bengal

লকডাউনের মাঝেই আসানসোল স্টেশন কাটছে ট্রেনের টিকিট, যাত্রীরা দাঁড়িয়ে লাইনে, কী হচ্ছে সেখানে ?

বন্ধ সকল ট্রেন পরিষেবা, তাই লকডাউন উঠলে কিভাবে পরিস্থিতি সামলাবে চলছে তারই মহড়া

@ দেবশ্রী : করোনার সংক্রমণ রুখতে সারা দেশ জুড়ে চলছে তৃতীয় দফার লকডাউন। গৃহবন্দী হয়ে রয়েছেন মানুষ। বন্ধ বেশিরভাগ দোকানপাঠ, শপিং মল। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে কিন্তু আসানসোলের দৃশ্যটা অন্য রকম ভাবে ধরা দিচ্ছে। লকডাউনের মাঝেও স্টেশন চত্বরে দেখা যাচ্ছে টিকিট কাটার লম্বা লাইন। ঘোষণা হচ্ছে ট্রেনের। হাতে গ্লাভস, মুখে মাস্ক পরে টিকিট পরীক্ষা করছেন পরীক্ষক। রেলপুলিশও বেশ তত্‍পর। তবে টিকিট কাটা থেকে স্টেশনে ঢোকা পর্যন্ত যাত্রীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে কি না, তা খতিয় দেখছে আরপিএফ বাহিনী। এখন নিশ্চই ভাবছেন এখন তো ট্রেন বন্ধ, টিকিট কাটার অনুমতি নেই, তাহলে কী হচ্ছে এই সব ?

জানা গিয়েছে, এই লাইন, টিকিট কাটার ব্যস্ততা, দূরত্ব বজায় থাকছে কি না তা লক্ষ্য রাখা এসবই মহড়া মাত্র ! আসানসোল স্টেশনে কর্তব্যরত আরপিএফ আধিকারিকরা জানান, লকডাউন উঠলে কীভাবে পরিষেবা দেওয়া হবে তাঁরই মহড়া শুরু হয়েছে আসানসোল স্টেশনে। এই মহড়ায় রেলের কর্মীরাই রয়েছেন যাত্রীর ভূমিকায়। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে আঁকা সুরক্ষা বলয়ে দাঁড়িয়েই টিকিটের জন্য অপেক্ষারত তাঁরা। শুধু টিকিট কাটার ক্ষেত্রে নয়, টিকিট পরীক্ষা ও টিকিট দেওয়ার ক্ষেত্রে কী কী সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই বিষয়টিরও মহড়া চলছে নিয়মিত। স্যানিটাইজ করা হচ্ছে রেল কর্মীদের হাত। রেলডিভিশনের আরপিএফের সিনিয়র কম্যানডেন্ট চন্দ্রমোহন মিশ্র জানিয়েছেন, এই মহড়া এখন চলবে। লকডাউনের পর কিভাবে পরিস্থিতি সামলানো হবে তারই প্রস্তুতি মাত্র।

মারণ ভাইরাস করোনার সংক্রমণ রুখতে গত ২৩ মার্চ থেকে লকডাউন জারি হয়েছে দেশে। বন্ধ স্কুল-কলেজ-অফিস-কারখানা, স্তব্ধ ট্রেন পরিষেবাও। তবে তৃতীয় দফার লকডাউনের শুরুতেই বেশ কিছুক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু ট্রেন পরিষেবা কতদিনে স্বাভাবিক হবে এখনও পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। তবে তার আগে থেকেই আসানসোল নিচ্ছে প্রস্তুতি সুরক্ষার।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: