সংসদে মিলবে না আর ভর্তুকিতে খাবার।
দেশের অর্থনৈতিক হাল খারাপ, তাই খরচ কমাতে সরকারের নতুন সির্ধান্ত।

@ দেবশ্রী : সরকারের রাজকোষ বাঁচাতে, সাংসদরা নিলেন একটি নতুন পদক্ষেপ। এখন থেকে, সংসদ ভবনের ক্যান্টিনে আর ভর্তুকিতে খাওয়াদাওয়া করতে পারবেন না সাংসদরা। আর সর্বসম্মতিতেই সাংসদরা তাঁদের এই সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে, সরকারের রাজকোষে বেঁচে যাবে প্রায় ১৭ কোটি টাকা। সংসদ ভবন সূত্রের খবরের মাধ্যমে জানা যায়, লোকসভার বিজনেস অ্যাডভাইসরি কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা। তখনই সাংসদরা সর্বসম্মতিতেই মেনে নেন সেই প্রস্তাব।
এর ফলে, এখন থেকে সংসদের ক্যান্টিনে চিকেন কারি, ফিশ কারি আর মাটন কারির দাম পড়বে যথাক্রমে ৫০, ৪০ এবং ৪৫ টাকায়। চিকেন কাটলেট প্রতি প্লেট মিলবে ৪১ টাকায়। তন্দুরি চিকেন ৬০ টাকা, ধোসা ১২ টাকা আর কফি ৫ টাকায়। হায়দরাবাদি চিকেন বিরিয়ানির দাম পড়ে যাবে ৬৫ টাকা।
বাজারের দামের চেয়ে ৮০ শতাংশ সস্তায় সংসদ ভবনের ক্যন্টিনে খাবার মিলছে বলে ২০১৫ সাল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। প্রশ্ন ওঠে, যখন অর্থাভাবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প দীর্ঘ দিন ধরে আটকে থাকছে, তখন কেন ভর্তুকিতে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে সংসদ ভবনের ক্যান্টিনে? সেখানে তো আমজনতা ঢুকতে পারেন না। যান শুধুই সাংসদ বা তাঁদের পরিচিতরা। আর তাই এখন থেকে সংসদ ভবনের ক্যান্টিনে আর ভর্তুকিতে খাওয়াদাওয়া করতে পারবেন না সাংসদরা। সর্বসম্মতিতেই সাংসদরা তাঁদের এই সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।