West Bengal

সকলের অজান্তেই থানা থেকে হতো বন্দুক পাচার, ঘটনায় অভিযুক্ত খোদ সাব ইন্সপেক্টর।

কাজের সূত্রে পুলিশ প্রশাসন পদে থাকলেও, কাজে অস্ত্র পাচারকারী। আশঙ্কা বড় অপরাধের।

@ দেবশ্রী : নজর এড়িয়েই চলছিল বন্দুক চুরি। থানার মালখানা থেকে চুরি হয়ে যায় ১৮টি বন্দুক। আর এই বন্দুক চুরির অভিযোগে যখন তদন্তে নামেন পুলিশ, তখন উঠে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই বন্দুক চুরির অভিযোগে জামবনি থানার এক সাব ইন্সপেক্টরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের নাম তারাপদ টুডু। তার সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয়েছে আরও তিনজনকে। তাদের মধ্যে একজন এনভিএফ কর্মী।

২০০৮ এর পরবর্তী সময়ে যখন জঙ্গলমহলে মাওবাদী আন্দোলন তুঙ্গে তখন এনভিএফ কর্মীদের হাত ধরে প্রচুর অস্ত্র ঢুকেছিল এই এলাকায়। লাগাতার অভিযানে তার একটা বড় অংশ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। এই নিয়ে মামলা চলায় বিভিন্ন থানার মালখানায় রাখা ছিল এই সমস্ত অস্ত্র। কিন্তু লালগড় থানার মালখানা থেকে পরপর চুরি যায় প্রায় ১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র। কিন্তু থানার মালখানা থেকে কীভাবে চুরি হয়ে যাচ্ছে অস্ত্র তা প্রথমে বুঝতে পারেননি কেউ। এরপর শুরু হয় তদন্ত। আর তারপরেই গ্রেফতার করা হয় জামবনি থানায় কর্মরত তারাপদ টুডুকে।

সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, এখানে বদলি হয়ে আসার আগে লালগড় থানায় মালখানার দায়িত্ব সামলাতেন তিনি। বুধবার ঝাড়গ্রাম আদালতে তোলা হলে বিচারক ধৃতদের পাঁচদিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। জেলা পুলিশের আধিকারিকরা জানান, ধৃত পুলিশ কর্মীর সঙ্গে অস্ত্র পাচারকারীদের যোগোযোগ রয়েছে বলে তাদের সন্দেহ। এই জন্যই হেফাজতে নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। সুতরাং দেখাই যাচ্ছে ভিতরের কোনো সদস্যই যুক্ত থাকছে কোনো না কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে। এই সময় বোঝা মুশকিল হয়ে উঠছে কে দেশের পক্ষে আর বিপক্ষে রয়েছে। আর ভিতরের কারোর সাহায্য ক্রমশ পেয়ে চলেছে বলেই বাড়ছে অপরাধীদের সাহস।

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close
Close
%d bloggers like this: