Nation

সারা দেশে কোভিড-১৯-এর ব়্যাপিড টেস্ট দুই দিন বন্ধ রাখার পরামর্শ দিল আইসিএমআর

চিনা টেস্ট কিটগুলি ত্রুটিপূর্ণ বলে বারবার সরব হয়েছে একাধিক রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যদপ্তর থেকেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল, র‌্যাপিড টেস্টের কিটগুলি ত্রুটিপূর্ণ।

প্রেরনা দত্তঃ দেশের সমস্ত রাজ্যকে আগামী দু’দিনের জন্য র‍্যাপিড টেস্ট কিটের (আরটিকে)ব্যবহার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল আইসিএমআর। আগামী দু’দিন ওই টেস্ট বন্ধ রাখতে বলল ওই সংস্থা। অবশ্য নির্দেশিকা জারির আগেই ওই পরীক্ষা বন্ধ রেখেছে রাজস্থান। কার কার শরীরে রয়েছে জীবাণু তা দ্রুত জানতে একমাত্র উপায় র‌্যাপিড টেস্ট। তাই রাজ্যগুলিকে জরুরি ভিত্তিতে র‌্যাপিড টেস্টের জন্য চাপ দিচ্ছিল কেন্দ্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কিন্তু চিনা টেস্ট কিটগুলি ত্রুটিপূর্ণ বলে বারবার সরব হয়েছে একাধিক রাজ্য।

এর আগে রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্য র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট কিট নিয়ে অভিযোগ তুলেছিল। ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় পরীক্ষার ফলেও একাধিক জায়গায় হেরফের হচ্ছিল। সেই কারণে আরটি-পিসিআর টেস্টের জন্য ব্যবহৃত চিনা র‌্যাপিড কিটগুলি আপাতত দুদিনের জন্য ব্যবহারে নিষেধ করা হল রাজ্যগুলিকে। সরকারের তরফে প্রায় ৫ লক্ষ র‌্যাপিড কিট তৈরি করেছে সরকার, আইসিএমআরের তরফে বলা হয়েছে, হটস্পট এলাকাগুলির সমস্ত বাসিন্দা এবং ব্যাপকভাবে সংক্রমিত এলাকাগুলিতেও একইভাবে সমস্ত বাসিন্দাদের পরীক্ষা করতে হবে, তারপরেই দেশজুড়ে এই কিট বিতরণ করা হয় সরকারের তরফে।

রাজ্যগুলির দাবি ছিল, ওই টেস্ট কিটগুলির রোগনির্ণয়ের ক্ষমতা অত্যন্ত কম। শতাংশের হিসাবে তা মাত্র ৫.৪। এর পরেই র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট কিট আগামী দু’দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে আইসিএমআর। ওই কিটগুলি নিয়ে তদন্তও করবে সংস্থাটি। মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনে ICMR-এর এপিডেমিওলজি ও কমিউনিকেবল ডিজিজের প্রধান রমন আর গঙ্গাখেড়কর জানিয়েছেন, ‘একটি রাজ্যে কম পরীক্ষার অভিযোগ পেয়েছিলাম আমরা। সেই মতো আরও তিনটি রাজ্যের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম, পরীক্ষার ফলে অনেক হেরফের পাওয়া গিয়েছে। সেইসঙ্গে নমুনার নির্ভুল পজিটিভ ফলাফল কোথাও ৬ শতাংশ আবার কোথাও ৭১ শতাংশ।’

আইসিএমআরের তরফে বলা হয়েছে, আগামী দুদিনে, যে সমস্ত রাজ্যগুলিতে রাপিড টেস্ট কিট ব্যবহার করা হচ্ছে সেই রাজ্যগুলিতে প্রতিনিধি পাঠানো হবে এবং “এখানে নমুনা নিয়ে এসে পরীক্ষা করা হবে”।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: