West Bengal

সেলুন ও পার্লার খোলার অনুমতি দিলেও রাস্তার হকার্স কর্নার বা ফুটপাতে কেনাবেচা সম্পূর্ণ ভাবেই বন্ধ

গ্রিন জোনে কিছু কিছু পরিষেবা চালু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

পল্লবী : রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিংহ এ দিন বলেন, কন্টেনমেন্ট এলাকার বাইরে দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও বিধিনিষেধ না-মানলে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে ব্যবস্থা নেবে সরকার। অত্যাবশ্যক পরিষেবাগুলি যেমন চলছিল, তেমনই চলবে। গ্রিন জোনে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা‌ যাবে দোকানপাট। গ্রিন জোনে কিছু কিছু পরিষেবা চালু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সোমবার রাত ৮টা‌ নাগাদ এই মর্মে ‌নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

সেলুন ও পার্লার খোলার অনুমতি দিলেও রাস্তার হকার্স কর্নার বা ফুটপাতে কেনাবেচা সম্পূর্ণ ভাবেই বন্ধ থাকবে। ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে বেসরকারি অফিস চালানো যাবে। তবে খুব দরকার না-হলে বাড়ি থেকেই কাজ করার জন্য অনুরোধ করেছেন মুখ্যসচিব। দোকানপাটের সঙ্গেই ব্যাংক, পোস্ট অফিস-সহ সর্বত্রই সাত জনের বেশি জমায়েত যে করা যাবে না, তা এ দিন ফের মনে করিয়ে দিয়েছেন মুখ্যসচিব। তবে ছোট ব্যাবসায়ীরা কি করবেন ? কারণ তাদের দোকান খোলার অনুমুতি দেওয়া হয়নি। কিভাবে চলবে তাদের ?

গ্রিন জোনে থাকা জেলার সীমানার মধ্যে কুড়ি জন যাত্রী নিয়ে বাস চলাচল করতে পারবে। গ্রিন ও অরেঞ্জ জোনে থাকা এলাকায় খনির কাজকর্ম নিয়ম মেনে করা যাবে। গ্রামীণ এলাকার গ্রিন জোনে নির্মাণ শিল্পের কাজ চললেও শহুরে এলাকায় শ্রমিক-কর্মীদের কাজের জায়গায় রেখেই কাজ করাতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক এবং কলকাতার ক্ষেত্রে পুর কমিশনারের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।

তবে যে বিষয়টি ভাবাচ্ছে টি হলো, ২০ জন যাত্রি নিয়ে বাস চালাতে নারাজ বেসরকারি বাসের চালকরা। তাঁদের দাবি, মাত্র ২০জন যাত্রী নিয়ে বাস চালালে তাঁরা বড় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। তার উপর,বাসের যাত্রীদের স্ক্রিনিং-এর ব্যবস্থা নেই। গাড়ির তেল ও কর্মচারীদের খরচ না ওঠার আশঙ্কায় এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন বাস মালিকরা। এর পাশাপাশি দোকান পাঠ খোলার সাথে সাথে সংক্রমণ বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই তো ? উঠছে প্রশ্ন

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: