Big Story

হাসপাতালে বেডের আকাল, মর্গে উপচে পড়েছে লাশ, মৃতদেহের ভিড় বাথরুমে

১৮৫টি দেশে থাবা বসিয়েছে করোনা। সেই সঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যাও।

প্রেরনা দত্তঃ যত সময় গড়াচ্ছে ততই গোটা দুনিয়া জুড়ে দীর্ঘ হচ্ছে করোনার ছায়া। ইতিমধ্যেই ১৮৫টি দেশে থাবা বসিয়েছে করোনা। সেই সঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যাও। বিশ্বে ৩০ লক্ষের বেশি মানুষ এখন সংক্রমণের শিকার। মৃত্যু হয়েছে মোট ২ লক্ষ ১০ হাজারের বেশি মানুষের। লাতিন আমেরিকায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর অন্যতম কেন্দ্রস্থল গয়াকিল।

সেখানকার একটি হাসপাতালের ভয়াবহ অবস্থা সামনে এসেছে। হাসপাতালে বেডের আকাল। নার্সরা বলেছেন, বহু মানুষকে বেড দেওয়া যায়নি। ফলে বহু মানুষ বিনা চিকিতসায় মারা গিয়েছেন। সারা হাসপাতালজুড়ে আক্রান্তদের হাহাকার। বহু মানুষ সেখানে হাসপাতালের বাইরেও মারা গিয়েছেন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মর্গের কর্মীরা আর লাশ নিতে চাননি। তখন মৃতদেহের স্থান হয়েছে বাথরুমে।

চিন থেকে ইউরোপ ও তার পরে আমেরিকা। ক্রমশই ভরকেন্দ্র বদলাচ্ছে কোভিড ১৯। আমেরিকায় ৯ লক্ষ ৮৮ হাজার মানুষ এখন সংক্রমণের শিকার। অতিমারির এমন ভয়াবহ ছবি দেখে শিউরে উঠছে গোটা দুনিয়া। ইকুয়েডর আর এই ভয়াবহ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত মানুষের মৃতদেহ সরানোর কাজ করছে প্রশাসন। রাস্তায় রোজই মিলছে বেওয়ারিশ লাশ। ইকুয়েডরের চিকিতসকরা জানাচ্ছেন, তাঁদের দেশের চিকিত্সা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আর তাই হাসপাতালের ভয়াবহ অবস্থার কথা বর্ণনা করেছেন সেখানকার চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

এপ্রিলের শুরুতেই ইকুয়েডরের গায়াজ প্রদেশে মোট ছহাজার ৭০০ মানুষ মারা গিয়েছেন। সরকারি হিসাব কিন্তু অনেক তথ্য গোপন করছে। এমনই অভিযোগ করেছেন চিকিত্সকরা। একজন নার্স জানিয়েছেন, হাসপাতালের প্রতিটি জায়গায় মৃতদেহ রাখা হয়েছে। এমনকী জরুরি ওয়ার্ডেও লাশ ভর্তি। পরিস্থিতি যে তাঁদের হাতের বাইরে চলে গিয়েছে সেই কথা স্বীকার করে নিয়েছেন সেখানকার চিকিত্সকরা।

Show More

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: