Analysis

২১ শে জুলাই ফ্লপ শো হতে পারে : গুঞ্জন হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটে

দলের নেতারা চিন্তিত লোক সংখ্যা আদেও হবে কিনা , চাপা গুঞ্জন কি ভাবে আনবো লোক , যুক্তির পর যুক্তি সাজাচ্ছে দলের কর্মী, সমর্থক ও নিচু স্তরের নেতারা।

২৩ শে মে ২০১৯ এর পর চিত্রটা অনেকেই পাল্টে গেছে তৃণমূলের ,ওপিনিয়ন টাইমস সার্বিক ভাবে ২১শে জুলাইয়ের প্রস্তিতি নিয়ে একটি সমীক্ষা করেছে বিগত ১০ দিন ধরে।
কি কি ধরণের পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে :
১) জেলায় জেলায় পার্টি অফিসে লোক কম
২) অঞ্চলের পার্টি অফিসে আগে গড়ে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ টি বাইক আসতো এখন কমে ১২ থেকে ১৫
৩) সাধারণ মানুষ বিভিন্ন দরকারে এলেও বেশিক্ষন থাকছেন না , কাজ গুছিয়ে চলে যাচ্ছেন
৪) পার্টি অফিসে না বসে একটু দূরে , চায়ের দোকানে থাকছেন নেতারা
৫) পার্টি মিটিং এ আসছে কিন্তু স্বতঃস্ফূর্ততা নেই
৬) ২৩ তারিখের এর পর পার্টি অফিসে সে ভাবে আর পিকনিক হচ্ছে না খুব জোর চা বিস্কুট
৭) নেতাদের বাড়িতে বসে আলাদা করে আলোচনা চলছে
৮) পার্টি অফিসে সময় কমেছে নেতাদের
৯) তৃণমূল যুবরা কিছু থাকলেও অনেক কম সেটা আগের থেকে
১০) সিন্ডিকেটের লোকজন কিছুটা আসছে বাধ্য হয়ে
১১) সামাজিক বিভিন্ন্য অনুষ্ঠান অনেক কম হচ্ছে , বলতে হয় কাটমানির ঘোষণার পর কোন অনুষ্ঠান হয় নি।
১২) জেলার নেতারা ফোনে অঞ্চলের নেতা বা কর্মীদের সাথে কথা বললেও হতাশা তৈরি হচ্ছে।
১৩) লোকসভার নির্বাচনে বিপুল বিপর্যয়ের পর নির্বাচন কমিটি আলোচনায় বেশিরভাগ বসে নি।
১৪) দলের ভিতর নেতারা মন গড়া রিপোর্ট করছে সকলের সাথে আলোচনা না করে , নিচু তলার অভিযোগ।
১৫) অনেক নেতারা ফোন ধরে না আর ২৩ তারিখের পর।
১৬) যারা কন্ট্রাক্টর ও প্রোমোটার তারাও কম আসছে তবে পুলিশ ও উঁচুতলার নেতাদের সাথে যোগাযোগ রাখছে
১৭) অঞ্চলের বিধায়করা আর তেমন ভাবে যোগাযোগ রাখছেন
১৮) জেলার বাইরে বিজেপির সাথে চলছে যোগাযোগ অনেকেরই।
১৯) অঞ্চলের নেতারা পঞ্চায়েত ও জেলা অফিস থেকে আর পার্টি অফিস যাচ্ছে না
২০) জেলার নেতারা সেভাবে আর ভরসা পাচ্ছে না বিভিন্ন্য মিটিং এ যেতে
২১) বিশেষত কাটমানি প্রসঙ্গে নারাজ নিচু তোলার তৃণমূল কর্মীরা
২২) তৃণমূল যুবর অত্যাচারে আগেই দল থেকে বসে গেছে বা একঘরে তারা এখন সকলেই না হলে অনেকেই বিজেপিতে
২৩) যেদিন ঘোষণা হয় কাটমানির বিষয়ে সেদিন সন্ধ্যে বেলায় জেলার নেতারা প্রশ্নের মুখে পরে যান
২৪) সংবাদ মাধ্যম থেকে এড়িয়ে চলার প্রবণতা বেড়েছে
২৫ ) বড় গাড়ী বা বিলাস বহুল গাড়ী চড়া প্রায় বন্ধ , ভাড়া গাড়িতে ঘুরছেন
২৬) জেলার নেতারা বিক্ষুব্ধ নেতা কর্মীদের এড়িয়ে চলছে
২৭) পুলিশের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে অনেক নেতার
২৮) যে সব নেতারা ব্যবসা করে তারাও ভীত সন্ত্রস্থ
২৯) বিজেপি সহ সিপিআইএমের সাথে তলে তলে যোগাযোগ রাখছে
৩০) অনেক নেতা অহংকারে পা পড়তো না তারা অনেকেই পরিবর্তন হয়েছে
৩১) নেতা বা কর্মীর পরিবারের লোকেরা খুবই অসন্তুষ্ট মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায় এর ওপর
৩২) জনসমাজে ভরসার ভিতে বড় ধাক্কা খেয়েছে
৩৩) বিতর্কে মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়য়ের ভাইপো ও ভাইদের কথা চলে আসছে
৩৪) ২০ টি জেলায় অনেকেই আর তৃণমূলের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে
৩৫) কাটমানি ঘোষণার পর অঞ্চলে কোন অনুষ্ঠান করে নি
৩৬) ২১ শে জুলাই নিয়ে কোন প্রচার নেই , হোডিং বা দেয়াল লেখা , পোস্টের লাগানো কোন উদ্যোগ নেয় নি কোন জেলাতেই
৩৭) জেলার মন্ত্রীরাও খুশি নন ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিচ্ছেন
৩৮) শিক্ষা ও সংস্কৃতির সাথে যারা যুক্ত তারাও খুব একটা বেশি মিশছে না
৩৯) ভোটার পরে জেলায় জেলায় অনুষ্ঠান কর্মসূচির কথা কেউ তুলছে না
৪০) ভোটার পর ৬ টি জেলা ছাড়া কোথাও মিটিং হয় নি
৪১) পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ছাড়া সব জেলাতেই কম বেশি এই চিত্র
৪২) দার্জেলিং জেলার অধিকাংশই অফিস খুলছে না
৪৩) জঙ্গল মহলের অবস্থা সব থেকে বেশি খারাপ , অধিকাংশই ব্লক স্তরের নেতারা চলে গেছেন বিজেপিতে
৪৪) যারা ব্লক ও জেলা স্তরের নেতা , বিগত ৯ বছরে বেশ কিছু টাকা করেছেন তারা অনেকেই উধাও। তাদের খুঝছে নিচু তোলার কর্মীরা
৪৫) কাটমানির অভিযোগ অধিকাংশই থানা নিতে চাইছে না
৪৬) ২০ টি জেলায় কমবেশি কাটমানি নিয়ে জুলুম চলছে
৪৭) রাজ্যের এক নেতা জানালেন যে পরিমান অত্যাচারের মুখে পড়েছি এই কাটমানি নিয়ে তার ফলে এখন কোন মিটিং মিছিল করা যাবে না
৪৮) কলকাতা থেকে কেউ আসলে তবেই লোকজন আসছে না তো কেউ নেই
৪৯) রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কাজ সবই থমকে গেছে যা আগে তৃণমূলের কর্মীরা করতো।
৫০) ২১ সে জুলাই হয়তো অনেকেই টাকা দেবে না তার ফলে গাড়ী, খাবার, প্রচারের খরচা কে দেবে ? জিজ্ঞাসা নিচু তলার কর্মীদের .

Show More

OpinionTimes

Bangla news online portal.

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: