Culture

“যোদ্ধা”, এ এক অন্য লড়াই এর গল্প, করোনার সাথে মানুষের লড়াই এর গল্প

ডাক্তার এবং নার্সরা যে পরিমান লড়াই করে মানুষদের কে ফিরিয়া এনেছেন মৃত্যুর মুখ থেকে সেই থিমই ফুটিয়ে তুলছে এবারে "হালসিবাগান সার্বজনীন"

রাখি সিংহ : বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন। তার মধ্যে অন্যতম হলো বাঙালির দুর্গোৎসব। কাশবনের দোলায় দেবীপক্ষের সূচনা বাঙালির মন কে আলোড়িত করে। আর সেই আলোড়িত মন কে কোনোদিন মায়ের কাছে আসার জন্য আটকে রাখা সম্ভব নয়। আর কলকাতার মানচিত্রে নজর দিলে দেখা যাই কিছু বড়ো বড়ো পুজো আর তার মধ্যে অন্যতম বড়ো পুজো হলো “হালসিবাগান সার্বজনীন দুর্গোউৎসব”।এই বছেরে তাদের পুজো ৭৬ তম বর্ষে পা দিলো। আর এই বছরে তাদের থিম “যোদ্ধা”।হালসি বাগান পুজো কমিটির সদস্য শ্রী অমিত মুখার্জী-এর সাথে কথা বলে জানা গেছে এবারে তাদের এই অভিনব থিম এর মানে, করোনা মহামারীর শুরু থেকে দেশ বিদেশের বহু মানুষ এই মহামারীর প্রকোপে মারা গিয়েছেন। আবার এই মহামারীর প্রকোপ থেকে অনেকে তাদের প্রাণ হাতে নিয়ে ফিরেও এসেছেন, যারা ফিরে এসেছেন মানে তাদের কে যারা ওষুধ, মনোবল, সেবা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছেন, হ্যা সেই ডাক্তার, নার্স , সামাজিক কর্মী তারা যেমন প্রতিনিয়ত লড়াই করে, তাদের সেবা করে ফিরিয়ে এনেছেন তাদের উদ্দেশ্যেই এই বছরের তাদের মণ্ডপ সেজে উঠবেন।

মণ্ডপের মধ্যে আরো থাকছে এই সমাজসেবী ডাক্তার, নার্স দের সাজানো মানিকুইন্ট এবং থাকছে প্রভাবিত কিছু লেখাও। তবে তিনি আরো জানিয়েছেন এই বছরের পুজোর একটা বড় অংশ কিন্তু তারা দান করেছেন। যেমন আনফানে ক্ষতিগ্রস্ত, এবং করোনা মহামারীতে অনেক দুস্থ পরিবারদের, ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের তারা রান্না করে খাবার খাইয়েছেন। নতুন জামাকাপড় দিয়েছেন এবং কাঁচা মাল আর সব্জি ও প্রদান করেছেন।

তিনি আরো জানিযেছেন তাদের মন্ডপ এমন ভাবে বানানো হচ্ছে যাতে দর্শক বাইরে থেকেই প্রতিমা দর্শন করতে পারেন।সুতরাং হালসি বাগান সার্বজনীন দুর্গোউৎসব প্রতি বছরেই কোনো না কোনো প্রাইজ এর অধিকারী হয়ে এসেছে। তাই আশাকরা যাচ্ছে এই বারের দূর্গা পূজোতেও নতুন কিছু চমক দেখা যাবে তাদের মণ্ডপ শয্যায়। এবার তাদের মণ্ডপের সামনে থাকছেন স্যানিটাইজিং এবং বিনামূল্যে মাস্ক দেয়ার বেবস্থা। সম্ভবত তৃতীয়ার দিন তাদের পুজো মণ্ডপ খুলে দেয়া হবে দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: