CultureUncategorized

অতীত ভুলে আগামীর খোঁজে চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি

অন্ধকারাচ্ছন্ন ভূত-ভবিষ্যতের আশংকায় সমাজ,'আগামী'র আলোর দিশারী চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি

শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস : অতীত ভুলে বর্তমান যার ভিত গড়ে তোলে তাই “আগামী”। পিছনে ফেলে আসা দীর্ঘ ৭ মাসের স্মৃতি মুছে সমাজের মানুষ সবেমাত্র আগামীর ভিত গড়া শুরু করেছে, স্বপ্ন দেখছে আগের মতোই ছায়ানিবিড় সুসজ্জিত একটা জীবনের।

থিম পুজো হিসেবে আত্মপ্রকাশ মাত্র ৪ বছর হলেও এর মধ্যেই মধ্য কলকাতার ১ম সারির সেরা দূর্গা পুজোগুলোর মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি। তাদের এবারে থিম “আগামী”। থমকে যাওয়া পৃথিবীকে ‘আগামী’র ভাবনা উপহার দিয়েছেন শিল্পী বিমল সামন্ত। শুধু এটুকুই নয়, কোনো স্পনসারের আশা ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজেদের প্রচেষ্টায় বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া প্রচুর মানুষের মধ্যে আনুমানিক ৮০জনকে কর্ম সংস্থান জুগিয়ে দিতে পেরে তারা গর্বিত।এছাড়াও কোভিড পরিস্থিতিতে গিরিশপার্ক ও জোড়াসাঁকো থানায়ে বেশ কিছুদিন ২০০ করে মোট ৪০০ কন্টেনারে খাবার হস্তান্তর করেছেন তৎসংলগ্ন এলাকার ভিক্ষুকদের জন্য। নিম্নমধ্যবিত্ত ও গরিব প্ৰয়োজনীয়দের জন্য চাল, ডাল, গম প্রভৃতি প্রদান করেছেন। এখানেই শেষ নয়, তাদের কম্যুনিটিহলে দীর্ঘ ৬ মাস ধরে কোরোনাকালের কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলের অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারদের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশনা অনুযায়ীই সমস্ত সতর্কতামূলক সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির জেনারেল সেক্রেটারি জয়ন্ত ব্যানার্জী। তাদের পূজা বাজেটের বেশ কিছুটা অংশ কিন্তু সানিটাইজেশন এবং বিনামূল্যে মাস্ক প্রদায়ের পিছনে ব্যয় করেছেন। তাই তারা আশাও রাখেন যাতে দর্শনার্থীরাও নিজেদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষাটুকু নিয়ে সমস্ত সুরক্ষা বিধি মেনেই মণ্ডপ পরিদর্শনে বের হবেন।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: