Culture

অরণ্যের আর্তিতে মায়ের আরাধনা… প্রফুল্লকানন সার্বজনীন দুর্গোৎসব

অরণ্য ধ্বংসের ফলস্বরূপ বিপদগ্রস্ত মানুষকে সতর্কবার্তা প্রফুল্লকানন সার্বজনীন দুর্গোৎসব।

শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস : বছর ঘুরতে না ঘুরতেই মা আবার চলেই এসেছেন মর্ত্যবাসীর কাছে। কোরোনাসুরকে দমন করে শুধু মর্ত্যবাসীই নয়, সমগ্র প্রাণী ও উদ্ভিদকূলকে রক্ষা করতে আসছেন মা। প্রফুল্লওকানন সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির পূজা মণ্ডপ সজ্জার ভাবনায় এবার অরণ্যের অনুভূতিকেই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে গাছ কেটে, অরণ্য ধ্বংস করে বর্তমান সমাজকুল নিজেদেরকে কতটা ক্ষতির মুখে নিয়ে যাচ্ছে তা হয়তো ভ্যাবনারও অতীত। তাই মানুষকে সচেতন করার দিকে “অরণ্য” এই ভাবনা নিয়ে প্রফুল্লকানন সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি কিছুটা হলেও এগিয়ে। আধুনিকতায় মোড়া মানুষের জীবনধারার মাঝে সেই সতর্কবার্তার শ্রষ্ঠা প্রসিদ্ধ শিল্পী পুর্ণেন্দু দে।

কমিটির অন্যতম কর্তাব্যক্তি অনুপ রক্ষিতের সাথে সাক্ষাৎকারে আমরা জানতে পেরেছি তাদের পূজা সম্পর্কীয় বিভিন্ন খুঁটিনাটি তথ্য।প্যান্ডেল দেখতে আগত দর্শনার্থীদেড় সুরক্ষার্থে থাকবে স্যানিটাইজেশন টানেল। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মাস্ক থাকবে বাধ্যতামূলক। পুজোয় কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন না করে এলাকার কচি-কাচাদের দ্বারা নাচ-গান-বাজনা এবং উদ্বোধনের আয়োজন থাকবে। স্যানিটাইজ করা ফুলে পুস্পাঞ্জলির পর সেই ফুল গার্বেজ ব্যাগে করে রাখা হবে। বিসর্জনের পূর্বে প্রতিমাকে না ছুঁয়েই এক একবারে ৪-৫ জনের প্রবেশাধিকারে করতে হবে মাতৃ বরণ। সিঁদুর খেলায় রাশ টেনেছে প্রফুল্লবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসব।

বর্তমানে করোনায় এরূপ টালমাটাল পরিস্থিতিতেও সুরক্ষাবিধি মেনেই তাদের প্যান্ডেলে পরিদর্শনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন প্রফুল্লকানন সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির কর্তৃপক্ষ।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: