Big Story

আটকে রয়েছেন প্রায় ২০৬ জন, উদ্ধার ৩২ টি মৃতদেহ: দুঃসপ্নের উত্তরাখন্ড

আটকে রয়েছেন প্রায় ২০৬ জন, উদ্ধার ৩২ টি মৃতদেহ: দুঃসপ্নের উত্তরাখন্ড

মধুরিমা সেনগুপ্ত: উত্তরাখন্ড বিপর্যয়ের পর তৃতীয় দিনেও যুদ্ধকালীন তৎপরতার সাথে চলছে উদ্ধারকার্য। ইন্দো-তিবেটিয়ান সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, এসডিআরএফ ও অন্যান্য এজেন্সি একজোট হয়ে চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকাজ। তপোবন টানেলের মধ্যে যারা আটকে পড়েছে তাদের বের করার আনার প্রানপন চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। এখনও পর্যন্ত ২০৬জন আটকে রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। উদ্ধার করা হয়েছে ৩২জনের দেহ।

টানেলের মুখ পাথর ও বালিতে আটকে যাওয়ায় যারা সেখানে আটকে পড়েছেন, তাদের সন্ধান পাওয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। তবে শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ১২০ মিটার গভীরে ঢুকতে সফল হয়েছে উদ্ধারকারী দল। টানেলের ভিতর অক্সিজেনের ঘাটতি অনুভব করা যাচ্ছে ব্যাপকভাবে। ফলে যত দ্রুত সম্ভব চামোলি জেলার আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ ওই টানেল থেকে ধসের কবলে পড়া মানুষগুলিকে বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি চামোলি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া ১৩টি গ্রামের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। যেসব গ্রাম নদীর জলের তোরে খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে সেখানকার বাসিন্দাদের অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী যেমন শুকনো খাবার, ওষুধ ইত্যাদি দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলির মধ্যে অন্যতম রাইনি গ্রামের সঙ্গে নতুন করে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে বলেই সেনার তরফে খবর। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত (Trivendra Singh Rawat) আগেই জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্রমাগত পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছেন। কেন্দ্র থেকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাসও দেয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয়ে ধস নেমে তছনছ হয়ে গিয়েছে তপোবন বাঁধ। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তপোবন জলবিদ্যুত্‍ প্রকল্প। এই প্রকল্পটি তৈরি হয়েছিল রাজ্য পরিচালিত এনটিপিসির তত্ত্বাবধানে। প্রকল্পের খরচ হয়েছিল প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। হিমবাহে ধসের জেরে এই প্রকল্পের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: