Health

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্রিন টি, তবে এটি কি যখন তখন সেবন করা যায়?

কোন কোন সময় গ্রিন টি খাওয়া একেবারেই উচিত না জেনে নিন বিস্তারিত

গ্রিন টি পাওয়ার ড্রিঙ্ক হিসাবে কাজ করে। এটি শরীরে টক্সিনের পরিমান কমিয়ে দেয়। তবে যখন তখন কি খাওয়া যায় এই ম্যাজিক টি? আমরা জানি কোনো জিনিস ই অতিরিক্ত সেবন ভালো নয়। তাই দিনে ২-৫ কাপ গ্রিন টি খাওয়া যেতেই পারে। কিন্তু অতিরিক্ত গ্রিন টি সেবন শরীরের ক্ষতি করতে পারে। জেনে নিন কোন কোন সময় গ্রিন টি খাওয়া একেবারেই উচিত না:

১) দুপুরে খাওয়ার পর গ্রিন টি একবারেই না: অনেকের মধ্যে একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে দুপুরে খাওয়ার পর গ্রিন টি খেলেই ম্যাজিকের মতো ক্যালরি বার্ন হয়। এটি নিতান্তই একটি ভুল ধারণা। উল্টে এতে খাবার পচনে সমস্যা হয়, বদহজমও হতে পারে।

২) গরম গ্রিন টি খাবেন না: খুব গরম অবস্থায় গ্রিন টি খাওয়া উচিত নয়। স্বাদে ভাল লাগলেও গরম গ্রিন টি সেবন সরাসরি পাকস্থলি এবং গলায় আঘাত করে। তাই গরম গ্রিন টি না খাওয়াই ভাল।

৩) খালি পেটে গ্রিন টি খাবেন না: গ্রিন টি যেহেতু রক্ত থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ অপসারণ করে রক্তকে পরিশোধন করে, তাই অনেকেই ভাবেন খালি পেটে ওষুধের সঙ্গে গ্রিন টি খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কিন্তু এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। সকালে উঠে পেট ভরে কিছু খাবার খেলে শরীরে মেটাবলিজম তৈরি হয়। তারপর এক কাপ গ্রিন টি খাওয়া যেতেই পারে।

৪) গরম গ্রিন টি-র সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাবেন না: অনেকে চিনি খাবেন না বলে গ্রিন টি এর সাথে মধু খান। কিন্তু তা একেবারেই উচিত না। বরং গরম চায়ে মধু দিলে মধুর পৌষ্টিক গুণ নষ্ট হয়ে যায়। তাই চা একটু ঠান্ডা হলে তাতে মধু মিশিয়ে খেলে তবেই উপকার হবে।

৫) গ্রিন টি-র সঙ্গে ভুল করেও ওষুধ খাবেন না: অনেকে সকালে গ্রিন টি-র সাথে ওষুধ খান। এটি একেবারেই ভুল অভ্যেস। এর কারণে অ্যাসিডিটি হতে পারে এবং ওষুধের কার্যকরী ক্ষমতাও কমে যায়।

৬) বেশি গ্রিন টি খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক: অতিরিক্ত গ্রিন টি খেলে ঘুম কমে যায়। তাই দিনে ২ থেকে ৫ কাপ পর্যন্ত গ্রিন টি খাওয়া যেতে পারে।

৭) গ্রিন টি-র পাতা বেশিক্ষণ ভিজতে দেওয়া উচিত না: গ্রিন টি-র পাতা বেশীক্ষণ ভিজলে এর পৌষ্টিক গুণ নষ্ট হয়।

৮) গ্রিন টি-তে আর্টিফিশিয়াল ফ্লেবার খাওয়া ঠিক নয়: ফ্লেবার মেশাতে গিয়ে গ্রিন টি-র গুণাবলি নষ্ট হয়ে যায়।

৯) গ্রিন টি খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না: তাড়াহুড়োতে থাকলে কখনোই গ্রিন টি খাওয়া উচিত নয়। এতে লিভারে চাপ পরে এবং ধীরে ধীরে লিভার খারাপ হতে থাকে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: