Big Story

অন্য কেও নয় শুধু মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ : শুন্য ভাঁড়ারে শুখনো প্রতিশ্রুতিতে চলেনা ,বললেন অ্যাপ-ক্যাব সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শঙ্কর ঘোষ

বিপদের দিনে অ্যাপ-ক্যাব মালিক- শ্রমিক যাত্রীদের পাশে থাকতে চায় , তেলের দাম বেড়েছে ভাড়া বাড়ান আর রাস্তায় গাড়ি নাম্বার অনুমতি দিন। ....... আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে শঙ্কর ঘোষ সাধারণ সম্পাদক JOINT COUNCIL OF LUXURY TAXI ASSOCIATION (WEST BENGAL

নিজস্ব সংবাদদাতা : জ্বলছে না উনান চলছেনা গাড়ী ,যে হাল দশায় আমাদের সমস্যা টা মানবিকতার চোখে দেখবেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী। মোটের ওপর প্রায় ৭০ হাজার গাড়ি , ড্রাইভার , তাদের পরিবার , গাড়ির মিস্ত্রি , তাদের পরিবার , সব মিলিয়ে প্রায় ২০ লাখ মানুষ এই পেশার সাথে প্রত্যক্ষ/ পরোক্ষ ভাবে যুক্ত এই পরিষেবার সাথে। টানা গৃহ বন্দি , বেড়ানো জো নেই। করোনা বিপদে যুদ্ধ জারি , কিন্তু পেট বড় বালাই। আর মানতে চাইছেন কোন যুক্তি না কোন ভয়। তাই সব শেষে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ শঙ্কর ঘোষ সাধারণ সম্পাদক, JOINT COUNCIL OF LUXURY TAXI ASSOCIATION (WEST BENGAL .

কি আবেদন জানালেন এই আন্দোলনের পক্ষে :

১) সরকারী দপ্তরে মাসিক ভাড়ায় লাক্সারি ট্যাক্সির ভাড়া 2008 সালের পর থেকে আজ 2021সাল পর্যন্ত এক পয়সাও বাড়েনি। বর্তমানে ৪৭৫/- টাকা প্রতিদিন হিসাবে ভাড়া , — কাজ হলে টাকা না হলে রোজগার নেই।

২) সাথে ওলা ,উবের এর শোষণ নীতি বেড়ে যাচ্ছে , একটা গাড়ি থেকে খুব কম করে ২৫%-৩৫% কমিশন নিচ্ছে কমিশন টা কমানো হোক।

এরই সাথে ভাড়া বাড়ার বদলে কমে যাচ্ছে , ওলা উবের কোম্পানি সরকার নির্ধারিত ১৮ টাকা ৭৫ পয়সা প্রত্যেক কি,মি ভাড়াও দিচ্ছে না অথচ তুলনামূলক ভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে :

এক) পারমিট ফি ৩০০০/- থেকে বেড়ে হয়েছে ১০৫০০/-প্রতি পাঁচ বছরের জন্য

দুই) রোড ট্যাক্স্ ২৭০০/- থেকে বেড়ে হয়েছে প্রায় ৯০০০/- প্রতি বছরের জন্য

তিন) গাড়ীর দাম বৃদ্ধির” সঙ্গে সঙ্গে বিমা কোং আকাশ ছোঁয়া বিমার প্রিমিয়াম বৃদ্ধি করে চলে প্রতি বছর

চার) দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে ফি ৫০ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১৫০ টাকা হয়েছে প্রতি ছমাসের জন্য

পাঁচ) CF ফি বছরে ১৮০/-থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৪০/-

ছয়) 2008 সালের তুলনায় চাকার দাম বর্তমানে কমবেশি ৪০০% বেড়েছে;

এর সঙ্গে প্রতি বছরে CF করার আগে রং মেরামতের খরচ সহস্র গুন বৃদ্ধি পেয়েছে অথচ গাড়ি ভাড়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে সেই ২০০৮ সালে নির্ধারিত মাত্র ৪৭৫/-প্রতি ১০ ঘন্টার জন্য এই ২০২১ সাল পর্যন্ত।

বামফ্রন্ট সরকারের সময় 200৮ সালে একজন চালক মাসিক বেতন পেতেন গড়ে ৩০০০/- থেকে ৪০০০/- প্রতি মাসে
বর্তমানে তা বেড়ে ৮০০০/- ১২০০০/- হয়েছে প্রতি মাসে। ২০০৮ সালে সম্ভবত লিটার পিছু ডিজেলের দাম ছিল ৩০/- যা বর্তমানে প্রায় ৯১/- প্রতি লিটার !

সংঘঠনের বহুদিনের আর্জি “সাথে ওলা উবের কোম্পানি গুলো কে সরকারের নিয়ন্ত্রনে আনা উচিত ।পরিশেষে আর একটা অনুরোধ এই প্যানডেমিক সিচুয়েশনের জন্য গাড়িগুলো চলতে পারছে না তাই সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে আগামী ৬ মাসের জন্য গাড়ির ট্যাক্স , সিএফ ,পারমিট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স মেয়াদ বৃদ্ধি না করা হয় ।

বিগত সরকারের শেষের দিকে এই আবেদন নিয়ে বৈঠক হবার পর তৎকালীণ পরিবন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এই অচলাবস্থার পরিবর্তন করবেন কিন্তু ঐ ফাঁকা আওয়াজ কাজের ছিলেন না , নিজের আখের গোছাতে দল পরিবর্তন করে এখন বিরোধী দল নেতা।

সিআইটিইউ অনুমোদিত কলকাতা ওলা-উবের ক্যাব অপারেটর এন্ড ড্রাইভারস ইউনিয়নের বক্তব্য, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম অনেকটাই কম ৷ অথচ বিজেপি সরকার জ্বালানি তেলের দাম কমানোর পরিবর্তে প্রায় প্রতিদিনই বাড়িয়ে চলেছে । তাই সংগঠনের তরফে অবিলম্বে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করার দাবি জানানো হয়।

‘প্রোগ্রেসিভ ট্যাক্সি মেন’স ইউনিয়ন’ এর সাধারণ সম্পাদক শম্ভুনাথ দে বলেন, “ডিজ়েলের দাম যে ভাবে বাড়ছে তাতে ট্যাক্সি এবং অ্যাপ-ক্যাব চালকেরা সত্যিই সমস্যায় পড়েছেন। ভাড়া বাড়ানো জরুরি। তবে না পারছি সংসার চালাতে আর না পারছি ব্যবসা , কি করে শোধ হবে ব্যাংকার লোন শোধ। মাসের কিস্তি বাকি পড়লেই ব্যাঙ্কের ফোন। ”

শঙ্কর ঘোষ বলেন সব মিলিয়ে এই বিপদজনক অবস্থায়ও আমরা করোনা বা বিশেষ কোন দরকারে মানুষ ডাকলেই আমাদের সংঘঠনের পক্ষ থেকে হাজির হচ্ছি বিপদে আক্রান্ত মানুষের পাশে। আমাদের যদি কেও যোগাযোগ করতে চায় তাহলে নির্দ্বিধায় ফোন করতে পারেন এই নম্বরে ৯৮৩০০৬৬৬৮৫ ( শুধু কলকাতার জন্য )

পরিবহনের বেহাল অবস্থায় নাভিশ্বাস উঠেছে পরিবহন সংস্থার মালিক শ্রমিক দুই তরফের। এখন দেখার বিষয় এই মানবিক আবেদনের ভিত্তিতে কবে ডাক আসে নবান্নের তরফে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: