Big Story

উত্তরবঙ্গে তুষারধস, বাঁধ ভেঙে বিপর্যয়

কোনো গুজবে কান দিতে বারণ করা হয়েছে, চালু হলো হেল্পলাইন

মধুরিমা সেনগুপ্ত: আচমকাই তুষারধস যোশীমঠে। উত্তরাখণ্ডে চমোলির যোশীমঠের কাছে ধৌলি গঙ্গায় ব্যাপক বাণ এসেছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তুষার ধসের জেরে বেশ কয়েরটি হিমবাহের ক্ষয় ক্ষতির কথা জানা যাচ্ছে। হড়পা বাণের জেরে ঋষিকেশ থেকে হরিদ্বার ভেসে যেতে পারে বলে আশঙ্কা। যার ফলে এইদুই এলাকা পর্যন্ত সতর্কতা জারি হয়ে গিয়েছে। তুষার ধস ও ধৌলিগঙ্গা নদীর জলস্তর বাড়ার ফলে স্থানীয় গ্রামগুলির ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করে ফলে খালি করা হচ্ছে আশপাশের গ্রাম। নিরাপদ দূরত্বে সরানো হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এই তুষারধসের ফলে ঋষিগঙ্গা ও ধৌলিগঙ্গা জলবিদ্যুত্‍ কেন্দ্রের ব্য়াপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জলবিদ্যুত্‍ কেন্দ্র দুটির বাঁধ ভেঙে গিয়ে যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাধে কর্মরত অধিকাংশ শ্রমিক এখনো নিখোঁজ। চামোলি জেলার তপোবনেও যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জলস্তর বাড়ার ফলে দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তর সহ সমস্ত এজেন্সিকে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। জানা যাচ্ছে তুষার ধসের ফলে নদীতে যেভাবে জলস্তর বাড়াতে শুরু করেছে তাতে আগামী ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে জল বের না করলে ক্রমাগত জলস্তর বেড়ে হরিদ্বার ও ঋষিকেশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এনডিআরএফএর কর্মীরা আপাতত গ্রামবাসীদের সরানোর কাজ করছেন। ঘটনাস্থলে স্থানীয় পুলিশ ও পুলিশের আধিকারিকেরা পৌঁছে গেছেন। এছাড়াও সেনার চপার সহ উদ্ধারকারীদের আরও ৩ টি টিম ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

প্রসঙ্গত রাজ্য ও কেন্দ্রের তরফে এখনও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে জলবিদ্যুত্‍ কেন্দ্রের বাঁধ ভাঙার ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনেকরা হচ্ছে। নিখোঁজ শ্রমিকদের প্রাণহানির আশংকা থেকেই যাচ্ছে। কতজনের প্রাণহানি হয়েছে ও ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে তা নিয়ে চূড়ান্ত কোনও খবর পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বর। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। তিনি জানিয়েছেন, “এনিয়ে কোনও গুজবে যেন কেউ কান না দেন। কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা খতিয়ে দেখার পরই বলা হবে। একটি চরম বিপর্যয় চামোলিতে ঘটে গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনডিআরএফ, পুলিশ কাজ করছে।”

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: