Nation

এপার বাংলার পাশাপাশি ওপার বাংলাতেও বেঁধে দেওয়া হলো দুর্গাপুজোর করা নিয়ম-নীতি

বাংলাদেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয় দুর্গাপুজো সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য।

পল্লবী কুন্ডু : এতো তাড়াতাড়ি আমাদের সাধারণ জীবন থেকে বিদায় জানাতে পারবোনা করোনাকে আর তাই জন্যই ২০২০ দূগোৎসব এবার অন্য পুজো। পুজোর পর করোনা সংক্রমণ বিপুল হারে বাড়তে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। তাই অতি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন প্রশাসন তথা সরকার। এর আগেই কলকাতার পুজো ক্লাবগুলিকে নিয়ে একটি সভার আয়োজন করেছিলেন রাজ্যের মাননীয়া মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। সেখানেই স্পষ্ট ভাবে তাদের জানিয়ে দেওয়া হয় যে কোন কোন বিধি-নিয়ম মেনে তাদের পুজো করতে হবে।

তবে এপার বাংলার সাথে সাথে ওপর বাংলাতেও খুব ধুম-ধাম করে পালিত হয় দুর্গাপুজো। আর এবার রবিবার বাংলাদেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সভাপতিত্ব করেন সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং চলতি পুজোতে সুরক্ষা বজায় রাখতে কি কি নিরাপত্তা বিধি মানতে হবে বা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে কি কি মেনে চলতে হবে তা নিয়েই গৃহীত হয় কিছু সিদ্ধান্ত।

বাংলাদেশেও নিজের তান্ডব লীলা চালাচ্ছে কোরোনাসুর এমতাবস্থায় চলুন দেখে নেওয়া যাক কি কি নিয়ম সে দেশে বেঁধে দিয়েছে সরকার –

প্রথমত, পূজা মণ্ডপে প্রবেশের সময় কোভিড-১৯ এর প্রেক্ষাপটে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে, হাত ধোয়া ও স্যানিটাইজার, মাক্স বাধ্যতামূলক করতে হবে।পাশাপাশি পূজা মণ্ডপ সংখ্যা যথাসম্ভব কমিয়ে রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। দেশব্যাপী সার্বজনীন পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।দ্বিতীয়ত, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যগণ আইন-শৃঙ্খলা মোকাবেলায় মোবাইল ডিউটিতে থাকবে।অন্যদিকে, পূজা মণ্ডপে জনসমাগম কমানোর জন্য অঞ্জলী প্রদান অনুষ্ঠান টিভি চ্যানেল এ লাইভ প্রচারের জন্য পূজা উদযাপন কমিটি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

তৃতীয়ত, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা করে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করতে হবে।জনসমাগম সীমিতকরণসহ অন্যান্য নির্দেশনাবলী মিডিয়ায় প্রচারের ক্ষেত্রে তথ্য মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি, করোনার সেকেন্ড ওয়েভ সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।চতুর্থত, জরুরি প্রয়োজনে পূজা উদযাপন কমিটি ৯৯৯ সেবা নিতে পারবেন।পূজা মণ্ডপ ব্যবস্থাপনায় পূজা উদযাপন কমিটি স্থানীয় প্রশাসনের ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করবেন এবং পঞ্চম ও শেষ বিষয়টি হলো, প্রতিমা বিসর্জন কালে কোনো শোভাযাত্রা করা যাবে না।

সাধারন মানুষের সুরক্ষা সর্ব প্রথম গুরুত্ব তাই উপরিউক্ত নিয়ম গুলিই দেশের জন্য ধার্য করেছে বাংলাদেশ সরকার।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: