Big StoryGamesSports Opinion

সিন্ধু জয়ের উচ্ছ্বাস, কিন্তু কেন সিন্ধু হতে পারছে না বাঙালিরা?

পরিকাঠামোতেই আঠকে বাঙালিরা

বনিতা রায়: আধ ঘণ্টায় সিন্ধু জয় নিশ্চিত করেন। ডেনমার্ক ওপেন প্রথম ম্যাচ শুরুতে পিভি সিন্ধু, কিদম্বি শ্রীকান্ত, সমীর বর্মারা জয় পেয়েছিলেন। প্রথম রাউন্ডে স্ট্রেট গেমে পিভি সিন্ধু তুরস্কের নেসলিহান ইয়িতকে হারিয়েছেন। দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়ার আগে এই উজ্জ্বল নক্ষত্র মাত্র আধঘণ্টায় ম্যাচটির জয় সুনিশ্চিত করেন। বিশ্বের ২৯তম নম্বরে থাকা ইয়িতকে হারালেন ২১-১২, ২১-১০ ফলে। পরবর্তীতে সিন্ধু থাইল্যান্ডের বুসানন ওংবামরুংফানের সাথে মুখোমুখি হবেন।২০১৭ সালের ডেনমার্ক ওপেনের চ্যাম্পিয়ান হয়েছিলেন শ্রীকান্ত এবং সমীর বর্মাও দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছেন। মাত্র আধ ঘণ্টায় ম্যাচটি জিতে যান শ্রীকান্ত। অন্য ভারতীয় সমীর বর্মা থাইল্যান্ডের কুনলাভূত ভিতিদসার্নকে হারিয়ে ২১-১৭, ২১-১৪ ফলে মাত্র ৪২ মিনিটে ম্যাচটি জিতেছিলেন। কিন্তু এই জয়ের উচ্ছাস, কোনো বাঙালি এখনও পাননি। তাহলে টোকিও অলিম্পিক প্রতিযোগিতায় কোনোভাবে কি বাঙালিরা যোগ্য নয় এই একটা প্রশ্নই বার বার উঠে আসছে।

এ বিষয় বলতে গিয়ে প্রাক্তন ফুটবলার ও প্রশিক্ষক ইন্দ্রনাথ পাল বলেছেন, ”পরিকাঠামোতেই আঠকে আছে বাঙালিরা। অন্যান্য দেশের থেকে উন্নতির দিক থেকে অনেক পিছিয়ে।প্রতিযোগিতার সঠিকভাবে ট্রেনিং দেওয়ার মতো কোনো শিক্ষক নেই এর ফলে খেলাধুলার দিক থেকে অনেকাংশে পিছিয়ে যাচ্ছে। এ কথার রেশ ধরেই ক্রিয়া সংগঠন গৌতম দাস বলেছেন, ”প্রায় ৬০-৭০ আগে ভারতে বা অন্যদেশের উন্নত ব্যবস্থা এতটা উন্নত ছিল না। বর্তমানে অন্যদেশের উন্নত ব্যবস্থা অনেকটা এগিয়ে সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে ভারত অনেক ক্ষেত্রে এখনও খাপ খাইয়ে নিতে পারেনি। অল্প বয়স থেকেই খেলাধূলা শুরু করতে হবে, বাঙালী ছেলেমেয়েদের যোগ্যতা থাকলেও তেমন প্রশিক্ষক ও উন্নত ব্যবস্থা না থাকায় ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। প্রশিক্ষক ও উন্নত ব্যবস্থা সঠিক ভাবে পেলেই বাঙালীরা টোকিও অলিম্পিক প্রতিযোগিতার মত গুরুত্বপূর্ণ খেলায় অংশ নিতে পারবে।”

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: