Foods

একদিনের ‘ঠেকুয়া’ খাওয়ার স্বাদ ভুলতে পারছেন না ? খুব সহজ পদ্ধতিতে নিজেই বানিয়ে ফেলুন ঠেকুয়া

বাঙালি হয়েও ছটপুজোয় নিজের বাড়িতে বানান 'ঠেকুয়া'

পল্লবী কুন্ডু : গতকাল থেকে শুরু হয়েছে ছটপুজো। আজ তার দ্বিতীয় দিন। দূর্গা পূজার মত চার দিন পালন করা হয় ছট পুজো (Chhath Puja)। নিয়ম অনুসারে প্রথম দিন স্নান করে নিরামিষ খায়, দ্বিতীয় দিন খরনা, তৃতীয় দিন অর্ঘ্য, এবং চতুর্থ দিন সূর্যোদয় অর্ঘ্য। উত্‍সবের দ্বিতীয় দিনকেই বলা হয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যিনি ব্রত রাখেন তিনি সারা দিন উপবাস পালন করেন। ওই দিন সন্ধ্যাবেলা বাড়িতে সূর্য দেবতার পুজো করেন মহিলারা। দেবতাকে অর্পণ করা হয় ক্ষীর, রুটি এবং কলা। এরপর মূল উপকরণ ঠেকুয়া বানানোর কাজ শুরু করেন বাড়ির মহিলারা। তবে যেকারণে এত কিছু বলা, এই ঠেকুয়া মূলত অবাঙালিদের খাওয়ার হলেও কম বেশি সবাই ভীষণ পছন্দ করে এই মুখরোচক খাবারটিকে। তবে সমস্যা একটাই খেতে যতটাই ভালো লাগে, বানানো কিন্তু ততটা সহজ নয়।

কিন্তু খেতে গেলে তো নিজেকেও বানানো শিখতে হবে। তাই আজ ছটপুজোর এই দ্বিতীয় দিনে চলুন শিখে নেওয়া যাক খুব সহজ পদ্ধতিতেই কিভাবে বানাবেন ঠেকুয়া (Thekua)। তাহলে প্রথমেই দেখে নিই উপকরণ কি কি লাগছে –

উপকরণ : আটা-২০০ গ্রাম, সুজি-৩০ গ্রাম, বেকিং পাউডার-৫ গ্রাম (দিতেও পারেন, নাও দিতে পারেন), বাদামী চিনি-৭৫ গ্রাম, ঘি-৪৫ গ্রাম, এলাচ গুঁড়া-১০ গ্রাম, মৌরি-১০ গ্রাম (কিছু গুঁড়ো, কিছু গোটা)।

পদ্ধতি : প্রথমেই ৪৫ মিলিলিটার জল দিয়ে একটি সসপ্যানে বাদামী চিনি গলিয়ে নিন এবং এটিকে ঠান্ডা হতে দিন। তারপর একটি মাঝারি পাত্রে ময়দা, সুজি, গুঁড়ো মৌরি, এলাচ গুঁড়ো, বেকিং পাউডার নিন তাতে ঘি যোগ করুন এবং মেশাতে থাকুন যতক্ষণ না এটি ভালোভাবে মেশে। এবার আস্তে আস্তে ময়দার মিশ্রণে ব্রাউন চিনির সিরাপ দিয়ে মিশ্রণটিকে একটি ডো তৈরী করুন। এরপর ওভেনটি 180 সি তে গরম করুন এবং এবং একটি প্যানে বাটার পেপার দিয়ে সেটিকে ওভেনে রাখুন। এরপর ময়দার ডো-টিকে 12 টি সমান ভাগে ভাগ করুন এবং প্রতিটি টুকরোকে একটি বল এবং রোল করুন তারপরে এটিকে আপনার তালু দিয়ে সমান করে নিন। তারপর সেগুলিকে গরম করা প্যানের ওপরে রাখুন। আপনি চাইলে এটিকে নিজের পছন্দ মত আকার দিতে পারেন। এরপর এটিকে ১২ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য ওভেনে রাখুন যতক্ষণ না এর রঙ বদলে বাদামী হচ্ছে। এরপর সেটি বের করে নিন, গরম থাকাকালীন এটি নরম থাকবে ঠান্ডা হয়ে গেলেই এটি শক্ত হয়ে যাবে। তারপর এটিকে ঠান্ডা করে একটি টাইট কন্টেনারে ভোরে রাখুন।

ব্যাস খাওয়ার জন্য তৈরী হয়ে গেলো আপনার পছন্দের ঠেকুয়া এবং খুব সহজ পদ্ধতিতে।

রেসিপি : সোহিনী ধারা

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: