Health

করোনা সংক্রমণের হার অস্থিরজনক হলেও, আশা জাগাচ্ছে টিকা

কেন্দ্র জানিয়েছে, তারা আশাবাদী, ২০২১এ দেশে ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডোজ টিকা পাওয়া যাবে।

পল্লবী কুন্ডু : করোনা সংক্রমণের সংখ্যা এই মুহূর্তে গগনচুম্বী। সংক্রমণের সংখ্যায় লাগাম টানা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে যে বিষয়টি তা হলো টিকা। সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কেন্দ্র জানিয়েছে, তারা আশাবাদী, ২০২১এ দেশে ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডোজ টিকা পাওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানিয়েছেন, কোন অংশকে প্রাথমিকতা দেওয়া হবে তা নিয়ে কর্মসূচি ঠিক করতে আলোচনা হয়েছে মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতেই এটা নিয়ন্ত্রিত হবে। যাবতীয় যা হবে সম্পূর্ণটাই বিজ্ঞানকে ভিত্তি করে।

তিনি আরো বলেন, এটা নিয়ে বিশ্ব যে কৌশল নিয়েছে, তা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল, আমেরিকাই হোক, গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মও তৈরি করা হচ্ছে। ন্যাশানাল এক্সপার্ট গ্রুপ অন ভ্যাকসিন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এর ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ডাঃ ভিকে পলের নেতৃত্বাধীন ন্যাশানাল এক্সপার্ট গ্রুপ অন ভ্যাকসিন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনকে কেন্দ্র থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, কীভাবে দেশে টিকা বিতরণ করা হবে, তার কৌশল ঠিক করতে।

বর্তমানে ভারতে তিনটি টিকা প্রার্থী ট্রায়ালের বিভিন্ন পর্যায়ে আছে। আইসিএমআর ও ন্যাশানাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজির সঙ্গে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন হল প্রথম দেশীয় টিকা প্রার্থী। এই টিকাটি বর্তমানে দেশে মানব ট্রায়ালের দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের এই প্যানেলে যারা রয়েছেন তারা হলেন, এইমস-এর অধিকর্তা ডাঃ রণদীপ গুলেরিয়া, বিদেশ, বায়োটেকনোলজি, তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা, স্বাস্থ্য পরিষেবা অধিকর্তা, ভারতের এইডস গবেষণা প্রতিষ্ঠান, আইসিএমআর ও রাজ্যের প্রতিনিধিরা।

ডাঃ ভিকে পল রিপোর্ট দিয়েছেন, সিডিসি, ইউএসএ ও হু-র পরামর্শ মতো জনসংখ্যার কোন অংশ প্রথমে টিকা পাবেন সেই বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করা হয়েছে। পলের কথামতো টিকা প্রথম বিতরণ করা হবে তাদের মধ্যে যাদের এটা সর্বোচ্চ প্রয়োজন। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের তালিকা অক্টোবরের শেষে বা নভেম্বরের প্রথমে তৈরি হয়ে যাবে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: