Nation

আবারো সন্ধান মিললো এক ভালো মুখোশধারীর, মিষ্টি কথার পেছনে লুকিয়ে অত্যন্ত নিম্ন মনোবৃত্তি

সাবধান ! সরকারি চাকরির টোপ দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করে ওই ব্যক্তি।

পল্লবী কুন্ডু : শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যাই যে কারোর চরিত্র নির্ধারণ করতে পারেনা তা আবারো প্রমান হয়ে গেলো। স্নাতকোত্তর পর্যন্ত পড়াশোনা, পাশাপাশি বিএড ও করা এক এক ব্যক্তি তিনি হলেন পেশায় একজন বাস কন্ডাক্টর। ওপরে এত জ্ঞানী হলেও তা মুখোশ ছাড়া আর কিছুই নয়। আর সেই মুখোশের আড়ালেই বাস করে অত্যন্ত নিম্ন রুচি সম্পন্ন একটা মানুষ। আদতে বাস কন্ডাক্টর হলেও তার আয়ের পথ ভিন্ন। আর সেই পথ জানলে শিউরে উঠবেন আপনিও। বিভিন্ন বয়সি মহিলাদের সরকারি চাকরির টোপ দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করে ওই ব্যক্তি ! এখানেই খ্যান্ত দেননি সেই ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও করে সেগুলিকে বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা রোজগার করেন তিনি।

তবে এবার তার সমস্ত জারিজুরির পালা শেষ। অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েন ওই অভিযুক্ত। আর পুলিশের জেরার মুখে পরেই সমস্ত অপকর্ম স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মিলিন্দ জারে। তার মুখ থেকেই জানা গেছে, ২০১৯ সালের জুন থেকে নভেম্বরের মধ্যে সে ৫ লক্ষ টাকা রোজগার করেছে ওই ধর্ষণের ভিডিওগুলি বিক্রি করে। তার কাছ থেকে ৬২টি ক্লিপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সবগুলিই ইতিমধ্যে একটি পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটে আপলোড করে দিয়েছিল সে। দেখা গিয়েছে, ভিডিওগুলিতে সচেতনভাবে নিজেকে কখনও প্রকাশ্যে আনেনি মিলিন্দ। কিন্তু মহিলাটির উপরে যাতে ক্যামেরার ফোকাস পুরোপুরি থাকে সেদিকেই আগাগোড়া লক্ষ্য থাকত অভিযুক্ত ওই যুবকটির।

মহারাষ্ট্রের বিক্রমগড়ের বাসিন্দা ৩২ বছরের মিলিন্দ জারের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত দু’জন মহিলা অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁদের একজনের বয়স ১৮। অন্যজনের ৩০। গত জুলাই থেকেই ফেরার ছিল অভিযুক্ত। অবশেষে বৃহস্পতিবার এক সূত্র থেকে খবর পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করার পাকা পরিকল্পনা করেন পুলিশ। শেষপর্যন্ত পুলিশের পাতা ফাঁদে পা দেয় সে। তার বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ভালো মুখোশধারী এই খারাপের কঠিন শাস্তির দাবি করেছে ওই মহিলারা।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: