Women

ছাত্রীর রহস্য মৃত্যুতে চাঞ্চল্য হাসনাবাদ, ২৪ ঘন্টা পর দেহ উদ্ধার

গত বুধবার থেকে নিখোঁজ ছাত্রীর দেহ উদ্ধার পুকুর থেকে, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ

পৃথা কাঞ্জিলাল : কিশোরী মৃত্যুতে আবারো চাঞ্চল্য উঠলো হাসনাবাদে (Hasnabad)। বুধবার থেকে একাদশ শ্রেণির ছাত্রী নিখোঁজ হওয়া এক ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়েছে স্থানীয় পুকুর থেকে। প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর তার দেহ উদ্ধার হয়েছে পুকুর থেকে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বসিরহাট মহকুমার হাসনাবাদ থানার বাইনারি গ্রামে। পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার থেকে নিখোঁজ ছিল ১৬ বছরের কিশোরী সীমা বর্মন (Sima Barman)। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির সামনের একটি পুকুর তার দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। তারপরেই সরাসরি পুলিশকে খবর দেন এলাকাবাসীই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় হাসনাবাদ থানার পুলিশ এবং কিশোরীর দেহ টাকি গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

মৃত ছাত্রীর বাবা মনোরঞ্জন বর্মন পুলিশকে জানিয়েছেন, বুধবার সকাল থেকেই নিখোঁজ ছিল তাঁর মেয়ে। তিনি আরও জানিয়েছেন সীমা সাঁতার জানত না। কীভাবে সে পুকুরে গেল তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে দেহ পাঠিয়েছে পুলিশ। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নির্দিষ্ট করেই কিছুই বলা যাচ্ছে না।

এদিন ছাত্রীর রহস্য মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ এলাকা। এলাকায় মেধাবী ছাত্রী হিসেবেই পরিচিত ছিল সীমার। শান্ত, মেধাবী সীমার এ হেন মর্মান্তিক পরিণতিতে স্বাভাবিক ভাবেই ভেঙে পড়েছে তার পরিবার। জানা গিয়েছে, মৃত কিশোরী খেজুর বেড়িয়া হাইস্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সীমার স্কুলের বন্ধুরা, তার স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা এবং পাড়া প্রতিবেশীদের কেউই এই ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না। এলাকাবাসীর সঙ্গে তদন্তের স্বার্থে কথা বলছেন পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। কী কারণে সীমার এমন পরিণতি হল তা জানার জন্য সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তার আপনজনেরা। কোনও কারণে ছাত্রী আত্মঘাতী হয়েছে কিনা, সে মানসিক অবসাদে ভুগছিল কিনা কিংবা কেউ সীমাকে পুকুরে ফেলে দিয়েছে কিনা, অথবা পা পিছলে সে পুকুরে পড়ে গিয়েছে কিনা , এই সমস্ত সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: