Education Opinion

স্কুল তো খুলছে, কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে কতজন পড়ুয়া যাবে? কি বলছে অভিভাবকরা?

নিয়মাবলী থাকা সত্বেও চিন্তা কমছেনা মা-বাবাদের

মধুরিমা সেনগুপ্ত: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর নির্দেশে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলি খুলছে আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে। তার আগে ক্রমশ উর্দ্ধগামী করোনা গ্রাফ দেখে চিন্তায় অভিভাবকেরা। আপাতত বিদ্যালয় খুলেই নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর পঠন পাঠন শুরু হবে। তার আগে নির্দিষ্ট কিছু নিয়মাবলী বেঁধে দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বলা হয়েছে একসাথে বেঞ্চে ১ জন বা ২ জনের বেশি বসে যাবেনা। সাথে একসঙ্গে খেলাধুলা এবং টিফিন ভাগ করে খাওয়াতেও জারি হয়েছে বিধিনিষেধ। কিন্তু বিধিনিষেধ চালু হলেও তা কতটা কার্যকরী হবে সে নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় অভিভাবকেরা। নবম শ্রেণীর এক পড়ুয়ার মা মালা রায় বলেন,” বাচ্চাকে কার ভরসায় পাঠাবো বলুন! ওদের ভ্যাকসিনও হয়নি। আজ যদি ভালো-মন্দ কিছু হয়ে যায় তাহলে তো আমরাই ভুগবো। এই স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে ভালো ডিসিশন। কিন্তু দুশ্চিন্তা তো যাচ্ছেই না।”

বাচ্চার অভিভাবকদের সাথে সাথে সমান ভাবে চিন্তিত স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারাও। শিক্ষিকা শর্মিষ্ঠা মন্ডলের মতে, “প্রায় দেড় বছরের ওপরে ছোট ছোট ছেলেমেয়েগুলো বাড়িতে ছিল। এই অতিমারী পরিস্থিতিতে ওদের মাথায় চাপটাও অনেক পড়েছে। আমাদের সাথে সাথে ওরাও এই অনলাইন পঠনপাঠনে অভ্যস্ত ছিল না। অসুবিধা তো অনেকটাই হয়েছে। এখন দেখা যাক স্কুল খুললে কি হয়।” শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খোলার নির্দেশে খুশি শিক্ষক-শিক্ষিকারা। কিন্তু করোনা পরবর্তী পরিবর্তনগুলোতে ধাতস্থ হতে শিক্ষক শিক্ষিকা এবং পড়ুয়াদের কতটা সময় লাগে এখন এটাই দেখার।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: